আড়াই বছর পর মঞ্চে প্রাঙ্গণেমোরের ‘অভিনেতা’

(বাঁ থেকে) সবুক্তগীন শুভ, অনন্ত হিরা ও নূনা আফরোজ
প্রায় আড়াই বছর পর আবারও মঞ্চে ফিরছে প্রাঙ্গণেমোরের নাটক ‘অভিনেতা’। এবার নতুন ভাবনা ও উপস্থাপনায় এর প্রদর্শনী হবে। ঢাকার বেইলি রোডের বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে আগামী ৩১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টায় উপভোগ করা যাবে নাটকটি। এতে অভিনয় করেছেন অনন্ত হিরা, নূনা আফরোজ ও সবুক্তগীন শুভ।
কবি জীবনানন্দ দাশ বলেছিলেন, ‘সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি’। একই ভাবনার উত্তরাধিকার হিসেবে ‘অভিনেতা’ নাটকে বলা হয়েছে— সকলেই অভিনেতা, কেউ কেউ শিল্পী। প্রাঙ্গণেমোরের ‘অভিনেতা’ শুধু একজন অভিনেতা বা বিনোদনকর্মী নয়, সে প্রকৃত শিল্পী ও শিল্পযোদ্ধা। সে বাঁচে বাংলাদেশে; কিন্তু মানুষের হয়ে লড়াই করে পৃথিবীর সব বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের জন্য। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা, রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক অনাচার, অমানবিকতা, অপসংস্কৃতি ও রুচিহীনতার বিরুদ্ধে সে আজীবন লড়াকু।
জয়ার প্রেমে পড়া বারণ
২৬ অক্টোবর ২০২৬
পৃথিবীতে এমন কোনো নাটক লেখা বা অভিনীত হয়নি, যেখানে কোনো না কোনোভাবে অন্যায়, সামাজিক অনাচার, অমানবিকতা কিংবা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা হয়নি, প্রতিবাদ জানানো হয়নি। সেজন্যই নাটক কোনোকালেই কোনো
দেশে রাজকীয় বা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা তেমনভাবে পায়নি; যেমনটা পেয়েছে সংগীত, নৃত্যকলা, চিত্রকলা কিংবা সাহিত্যের অন্যান্য শাখা।
অনন্ত হিরার রচনায় ‘অভিনেতা’র নির্দেশনা দিয়েছেন নূনা আফরোজ। প্রাঙ্গণেমোরের হয়ে এটি তার ষষ্ঠ নির্দেশনা। এর আগে তার নির্দেশনায় মঞ্চে এসেছে ‘স্বদেশী’, ‘রক্তকরবী’, ‘শেষের কবিতা’, ‘আমি ও রবীন্দ্রনাথ’ ও ‘কৃষ্ণচূড়ার দিন’।
নির্দেশনার পাশাপাশি ‘অভিনেতা’র পোশাক পরিকল্পনাও করেছেন নূনা আফরোজ। নাটকটির মঞ্চ পরিকল্পনায় রয়েছেন সাজু খাদেম, আলোক প্রক্ষেপণে ঠাণ্ডু রায়হান, সংগীতে নীল কামরুল, পোস্টার ডিজাইনে চারু পিন্টু, কোরিওগ্রাফিতে প্রকৃতি শিকদার এবং রূপসজ্জায় মোহাম্মদ আলী বাবুল।




