নতুন চমক নিয়ে আসছেন ক্রিস হেমসওয়ার্থ

ক্রিস হেমসওয়ার্থ
মার্ভেল ভক্তদের জন্য বড় খবর, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ সিনেমায় থর এর হাতুড়ি চালানোর পরই ক্রিস হেমসওয়ার্থের সফর শেষ হয়ে যাচ্ছে না। ৪২ বছর বয়সী এই হলিউড তারকা নিশ্চিত করেছেন যে, মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে থর হিসেবে তাঁকে আরও বেশ কয়েকবার দেখা যেতে পারে এবং এই চরিত্রটি নিয়ে বড়সড় কিছু পরিকল্পনা চলছে।
২০১১ সালে ‘থর’ হিসেবে যাত্রা শুরু করা হেমসওয়ার্থকে সর্বশেষ ২০২২ সালে ‘থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার’ এ দেখা গিয়েছিল। সম্প্রতি ‘স্মার্টলেস পডকাস্ট’ হাজির হয়ে অভিনেতা জানান, মার্ভেল প্রধান কেভিন ফাইগির সঙ্গে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয়েছে। হেমসওয়ার্থের ভাষায়, “কেভিন জানিয়েছেন যে দর্শকরা এখন এই চরিত্রের মধ্যে নাটকীয় মোড় আশা করে। আমরা পরবর্তী যা ই করি না কেন, আমাদের মাথায় বেশ কিছু অনন্য আইডিয়া আছে যা আগের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা হবে।”
নিজের ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ পথচলা নিয়ে হেমসওয়ার্থ জানান, বিভিন্ন পরিচালকের অধীনে থরের ভিন্ন ভিন্ন রূপ ফুটিয়ে তোলা ছিল তাঁর জন্য অত্যন্ত আনন্দের। কেনেথ ব্র্যানাগের গম্ভীর থর থেকে শুরু করে রুসো ব্রাদার্স বা তাইকা ওয়াইতিতির কমিক ঘরানার থর প্রতিটি সংস্করণই ছিল স্বতন্ত্র। অভিনেতা বলেন, “একই জিনিস বারবার করতে থাকলে আমি বোরড হয়ে যাই। পারফরম্যান্সকে বিভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে দেওয়াটা আমার জন্য জরুরি ছিল।”
তবে গত সিনেমা ‘থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার’ নিয়ে ভক্তদের একাংশের সমালোচনার বিষয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। হেমসওয়ার্থ স্বীকার করেছেন যে, পরিচালক তাইকা ওয়াইতিতির ওই সিনেমায় থরের চরিত্রটিকে হয়তো একটু বেশিই কৌতুকপূর্ণ বা ‘গুফবল’ বানিয়ে ফেলা হয়েছিল। তিনি বলেন, “সিনেমাটি অনেকটা মন্টি পাইথন স্কেচের মতো হয়ে গিয়েছিল, আমরা হয়তো মজা করতে গিয়ে একটু বেশিই করে ফেলেছিলাম। অনেক দর্শক এতে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তবে আমরা স্রেফ নতুন কিছু করার চেষ্টা করছিলাম।”
আপাতত ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ তে থরের ফেরা নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। আর তার পরবর্তী একক সিনেমায় থরকে ঠিক কতটা ‘ইউনিক’ লুকে দেখা যাবে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
সূত্রঃ নিউজ ১৮



