আগামীর সময়কে শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটিকে দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

এহছানুল হক মিলন।
বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া প্রক্রিয়া পর্যালোচনার বৈঠক ঘিরে দিনভর নানা আলোচনা-সমালোচনার পর স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার যে কথা বলা হচ্ছে, সেটিকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।
আজ সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় আগামীর সময়ের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন জানান, এনটিআরসিএ-এর কার্যক্রম এবং শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কীভাবে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও সুন্দর করা যায়—তা নিয়ে মন্ত্রণালয়ে প্রাথমিক পর্যালোচনা ও আলোচনা হয়েছে মাত্র। সেখানে ম্যানেজিং কমিটির হাতে ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এহছানুল হক মিলন বলেন, সভার কার্যবিবরণীর সর্বশেষ রেজুলেশনে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে—গৃহীত বিষয়গুলো প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য মন্ত্রীর নিকট পেশের পরই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। অর্থাৎ পুরো বিষয়টি এখনও সম্পূর্ণ প্রস্তাব পর্যায়ে রয়েছে। তার মনে বিষয়টি একদমই প্রস্তাব পর্যায়ে। এমন একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের প্রয়োজন আছে। কার্যবিবরণীটি এখনও আমার কাছেই আসেনি, তাই মন্ত্রীর অনুমোদনের প্রশ্নই ওঠে না। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার আগেই একটি বিশেষ গোষ্ঠী এটি নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছ যা দুঃখজনক বলে জানান মন্ত্রী।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়েছে, ২০০৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠা করেছিল। এই প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করতে পর্যালোচনা চলছে। ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডিকে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা প্রদানসংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়নি। তাই এ সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের অপতথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।







