ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও কর্নার স্থাপনের সিদ্ধান্ত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে ‘জুলাই স্মৃতি কর্নার’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে আগামী ৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি ও কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য চারুকলা অনুষদের ডিনকে আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে সদস্য-সচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে ‘জুলাই স্মৃতি কর্নার’ স্থাপনের লক্ষ্যে চারুকলা অনুষদের ডিনকে আহ্বায়ক এবং ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিককে সদস্য-সচিব করে পৃথক আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ আগস্ট ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে উপজীব্য করে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল ও অনুষদ নিজ নিজ উদ্যোগে বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে।
এ ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদসহ বিভিন্ন হল ও আবাসিক এলাকার মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
সভায় প্রতি বছর ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘উইমেন্স ডে’ উদযাপনেরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলগুলোর প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টর, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং ডাকসু নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




