ঢাবি
মুসাদ্দিককে হেনস্তার অভিযোগ

সংবাদ সম্মেলনে ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক। ছবি: আগামীর সময়
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে পোস্ট দেওয়ায় এক ডাকসু নেতাকে হেনস্তার উঠেছে অভিযোগ। ঘটনার শিকার ঢাবি শিক্ষার্থী মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদকে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক।
অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা মো. আলাউদ্দিন শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। ২০০৬-০৭ সেশনের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র। ৫ আগস্টের পর ঢাবিতে ভর্তি হয়েছিলেন বিশেষ বিবেচনায়। আজ বুধবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক।
তার ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিয়মনীতি ও নীতিমালার বাইরে গিয়ে ছাত্রদল নেতা আলাউদ্দিনকে বিশেষ বিবেচনায় সিট দেওয়া নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন তিনি। বুধবার দুপুরে কলা ভবনের পেছনের গেট দিয়ে দুজন বন্ধুসহ যাচ্ছিলেন ক্লাসে। এ সময় কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে তার পথরোধ করেছিলেন আলাউদ্দিন। পোস্ট নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করছিলেন তিনি। একপর্যায়ে করেছেন অকথ্য ভাষায় গালাগাল, ছিল আঘাত করার চেষ্টাও। তখন আশপাশে থাকা অনেকেই তাদের সরিয়ে দিয়েছেন। পরে মুসাদ্দিককে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন আলাউদ্দিন। জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে এখন শঙ্কিত শিক্ষার্থী মুসাদ্দিক।
জানাচ্ছিলেন তিনি, অবিলম্বে এই অবৈধ সিটধারীদের সিট বাতিল করে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের সিট দিতে হবে। যদি প্রশাসন এ ঘটনায় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তবে যেকোনো দুর্ঘটনার জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেই নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এ ডাকসু নেতা।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. আলাউদ্দিন। ‘আমার বাসা ধানমণ্ডি। প্রায় সময় সকালে আমার ক্লাস থাকে। বয়স হয়ে গেছে। সকালে উঠতে পারি না। এজন্য আমি ক্লাস করার জন্য হলে সিট নিয়েছি।’
তার দাবি, ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী থাকায় পড়াশোনা বেশিদিন চালাতে পারেননি। এখন ছাত্ররাজনীতি করার বয়স নেই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ বলছিলেন, ‘বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে, তবে সময় লাগবে।’

