শুরু হলো বাংলাদেশ ইয়ার্ন, ফেব্রিক অ্যান্ড এক্সেসরিজ শো

ছবি: আগামীর সময়
রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) চার দিনব্যাপী ‘১৩তম বাংলাদেশ ইয়ার্ন, ফেব্রিক্স অ্যান্ড এক্সেসরিজ শো ২০২৬’এবং ‘বাংলাদেশ টেক্সকেম এক্সপো ২০২৬’ শুরু হয়েছে। এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার থেকে আন্তর্জাতিক এই যৌথ প্রদর্শনী আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
দেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের প্রস্তুতকারক, রপ্তানিকারক, বায়িং হাউস ও ফেব্রিক প্রসেসরদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীদের সরাসরি মেলবন্ধন তৈরি করাই এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য।
এবারের প্রদর্শনীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। প্রদর্শনীতে ওভেন ও নিট পোশাকের রকমারি সুতা, ব্লেন্ডেড সুতা, উল, প্রিন্টেড এবং স্পোর্টস ও হোম ফ্যাব্রিক তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে পোশাক খাতের প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজ, টেক্সটাইল কেমিক্যাল এবং এমব্রয়ডারি ও হট স্ট্যাম্পিংয়ের মতো আধুনিক প্রসেসিং প্রযুক্তিও প্রদর্শিত হচ্ছে। এতে ভারতের ‘কেমেক্সসিল’-এর একটি বিশেষ প্যাভিলিয়ন রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক এই প্রদর্শনীটি প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সব ব্যাবসায়িক দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
দেশে বিনিয়োগ ও শিল্পের প্রবৃদ্ধির জন্য সরকারের নীতিগত সহায়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, নতুন বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি বিদ্যমান বিনিয়োগকারীদের ধরে রাখার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়ার জটিলতা কমিয়ে দ্রুত সেবা প্রদান নিশ্চিত করলে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এমন আশা মোহাম্মদ হাতেমের।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু সুলতান ভূঁইয়া জানান, পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ও মানোন্নয়নে নতুন প্রযুক্তি ও ফেব্রিক সোর্সিং অত্যন্ত জরুরি। দেশীয় রপ্তানিকারকদের হাতের নাগালে আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীদের পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য, যা স্থানীয় শিল্পের প্রবৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির মধ্যে বিইউএফটি-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার আইয়ুব নবী খান, বিজিএমইএ-এর পরিচালক কাজী মিজানুর রহমান, বিজিএপিএমইএ-এর সভাপতি মো. শাহরিয়ার, বিসিসিসিআই-এর সহ-সভাপতি মাসুদ আলী খান এবং বিএমএসএ-এর সভাপতি মেহেদী হাসান ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।






