সরকারি কেনাকাটায় মন্ত্রণালয়ের অর্থ খরচের সীমা বাড়ছে
- পরিপত্র জারি

সংগৃহীত ছবি
সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করে প্রকল্প বাস্তবায়নে গতিশীলতা আনতে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের অর্থ ব্যয়ের ক্ষমতা বাড়িয়েছে সরকার। এখন থেকে সরকারি অর্থায়নে পূর্ত কাজ সম্পাদন, পণ্য ক্রয় এবং পরামর্শক সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ, বোর্ড অব ডিরেক্টরস, সংস্থার নির্বাহী প্রধান থেকে শুরু করে প্রকল্প পরিচালকরা আগের চেয়ে বেশি টাকার দরপত্র ও ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করতে পারবেন। উন্নয়ন ও পরিচালন— উভয় খাতের বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রেই এই নতুন আর্থিক সীমা ও ক্ষমতা অর্পণ করে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি অর্থায়নে ক্রয়ের নতুন ক্ষমতা শুধু অনুমোদিত বাজেটে বরাদ্দ থাকার শর্তেই প্রযোজ্য হবে। এক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন (পিপিএ-২০০৬) এবং ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর-২০২৫)-এর নিয়মকানুন মানতে হবে। তবে কাজের মূল্য যাই হোক না কেন, বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত চুক্তি যেমন— বিওও, বিওটি, লিজিং বা সরবরাহকারী ঋণের আওতায় সম্পাদিত চুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তা অবশ্যই সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির কছে উপস্থাপন করতে হবে।
উন্নয়ন ও পরিচালন খাতের বাজেট: উন্নয়ন খাতে এখন থেকে মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত পূর্ত কাজ ও পণ্য ক্রয়ের অনুমোদন দিতে পারবে। করপোরেশন বা সংস্থাগুলোর বোর্ড অব ডিরেক্টরস অনুমোদন করতে পারবে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত পূর্ত কাজ ও পণ্য। সংস্থার নির্বাহী প্রধান পূর্ত কাজে ২৫ কোটি টাকা এবং পণ্য ক্রয়ে ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। প্রকল্প পরিচালকদের ক্ষেত্রে পূর্ত কাজে ১০ থেকে ২০ কোটি টাকা এবং পণ্য ক্রয়ে ৩ থেকে ১০ কোটি টাকার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভৌত সেবা ক্রয়ে মন্ত্রণালয় ১৫ কোটি, বোর্ড ৫ কোটি এবং নির্বাহী প্রধান ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুমোদন করতে পারবেন।
পরিচালন খাতে পূর্ত কাজে মন্ত্রণালয়ের আর্থিক ক্ষমতা ১০০ কোটি এবং পণ্য ক্রয়ে ৫০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ খাতে বোর্ড অব ডিরেক্টরস পূর্ত কাজ ও পণ্য ক্রয় উভয়ক্ষেত্রে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুমোদন করতে পারবেন। সংস্থার নির্বাহী প্রধান পূর্ত কাজে ১৬ কোটি এবং পণ্য ক্রয়ে ৮ কোটি টাকা পর্যন্ত ক্ষমতা পেয়েছেন। আঞ্চলিক অফিস বা ইউনিটপ্রধানরা পূর্ত কাজে ৪ কোটি, পণ্য ক্রয়ে ২ কোটি এবং ভৌত সেবায় ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন।




