পিপিআরসির গবেষণা
মূল্যস্ফীতির তুলনায় কমেছে সিগারেটের দাম

সংগৃহীত ছবি
মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করলে দেশে সিগারেটের প্রকৃত দাম কমেছে। কম দামের সিগারেটের বাজার সংকুচিত হয়ে মাঝারি দামের বাজার বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে সিগারেটের দাম, বাজারের পরিবর্তন ও রাজস্ব তথ্য বিশ্লেষণ করে তামাক করনীতি আরও কার্যকর করার তাগিদ দিয়েছে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি)। সোমবার পিপিআরসি কার্যালয়ে ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট, বাজার পরিস্থিতি, নীতির প্রভাব ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় তুলে ধরা হয় এসব তথ্য। পিপিআরসির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী মোহাম্মদ ইশতিয়াক হাসান জানিয়েছেন, বাজেটে নিম্ন স্তরের সিগারেটের সর্বনিম্ন দাম বাড়িয়ে ৬৫ টাকা এবং মাঝারি, উচ্চ ও প্রিমিয়াম স্তরের দাম যথাক্রমে ৯২, ১৬০ ও ২১০ টাকা করা হয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি সমন্বয়ের পর ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত বেশিরভাগ স্তরের প্রকৃত দাম কমেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে নিম্ন স্তরের সিগারেটের বাজার হিস্যা ৭৭ শতাংশ থাকলেও ২০২৬ সালের মে মাসে তা ৪৯ শতাংশের নিচে নেমেছে। অন্যদিকে, মাঝারি স্তরের বাজার হিস্যা ৯ থেকে বেড়ে ৪২ শতাংশ হয়েছে।
সিগারেটের সরবরাহ টানা দুই বছর কমলেও তামাক খাত থেকে রাজস্ব আদায় বেড়েছে। ২০২৬ সালের জুলাই-আগস্টে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা কমলেও নতুন ত্রৈমাসিক ভ্যাট ব্যবস্থার কারণে এটিকে চূড়ান্ত রাজস্ব ক্ষতি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বিসিআইসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান বললেন, ধূমপায়ীদের ধূমপান ছাড়ার প্রবণতা বাড়াতে দাম ও কর বাড়িয়ে তামাকপণ্যকে ব্যয়বহুল করতে হবে।



