Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় অর্থনীতি

মজুত তেলে চলবে ১৪ দিন

বিশেষ প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৫:৩০
মজুত তেলে চলবে ১৪ দিন

গ্রাফিক্স: আগামীর সময়

যুদ্ধের আঁচ সবচেয়ে বেশি পড়েছে জ্বালানিতে। বাংলাদেশের মতো আমদানি-নির্ভর দেশের জন্য তা আরও বেশি। মজুত তেল দিয়ে ১৩ থেকে ১৪ দিন জোগান দেওয়া যাবে। তারপরই পথে থাকা বাকি চালানের ওপরই ভরসা। এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কর্মকর্তারা।

কখনো পশ্চিম এশিয়া-ইয়েমেন, কাতার বা সৌদি আরব। কখনো আবার পূর্ব ইউরোপ-রাশিয়া-ইউক্রেন। কিংবা ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা। গত কয়েক বছরে বারবার অস্থির হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত। সীমান্ত সংঘাত, আকাশসীমা বন্ধ বা সরাসরি যুদ্ধ বেধে যাওয়ার ঘটনাও কম ঘটেনি। প্রতিবারই তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। বারবারই অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে জ্বালানি নামের এই ‘তরল সোনা’ মজুতে জোর দেওয়া হয়। কিন্তু তা আর ফলে না। তাতে করে সব সময়ই উদ্বিগ্ন থাকতে হয় বিপিসিকে।

১৪ দিনের মজুতের পাশাপাশি সমুদ্রপথে এবং খালাস হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে আরও ২০ থেকে ২৫ দিনের তেল। আগামী জুন পর্যন্ত ২৮ লাখ ২০ হাজার টন তেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। যার মধ্যে ২৪ লাখ ২০ হাজার টন উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে আসবে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীন ও ইন্দোনেশিয়া থেকে। বাকি ১৪ লাখ টন সরকার থেকে সরকার চুক্তিতে আমদানি হবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে।

পরিশোধিত জ্বালানি তেল এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে আসায় এ ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি-নির্ভরতা নেই এবং জুন পর্যন্ত সরবরাহ নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সংকট দেখছে না বিপিসি। তবে অপরিশোধিত তেলের দীর্ঘমেয়াদি উৎস মধ্যপ্রাচ্য হওয়ায় সংঘাত দীর্ঘ হলে সরবরাহে টান পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

বিকল্প সরবরাহব্যবস্থা হিসেবে ফুজাইরাহ টার্মিনাল ব্যবহারের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। যার মাধ্যমে বছরে ১৪-১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আনার পরিকল্পনা।

তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত এবং জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।

হরমুজ প্রণালি নিয়েও তৈরি হয়েছে সংকট, যে পথ দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।

সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ট্যাংকার চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ। ইরানের দক্ষিণের গুরুত্বপূর্ণ ওই জলপথ দিয়ে নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে তেহরান।

বর্তমানে অন্তত ১৫০টি বিশাল তেলের ট্যাংকার হরমুজের প্রবেশমুখে ওমান উপসাগরের উন্মুক্ত পানিতে নোঙর ফেলে অপেক্ষা করছে।

আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলো বিকল্প পথে জাহাজ ঘুরিয়ে নিচ্ছে। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে। অতিরিক্ত খরচ শেষ পর্যন্ত জ্বালানির দামের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ বাংলাদেশের জন্য সরাসরি সামরিক হুমকি না হলেও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। কারণ বৈশ্বিক বাজারে লাফিয়ে বাড়ছে তেল ও গ্যাসের দাম। দেশে ব্যবহৃত জ্বালানির বড় অংশই আমদানি-নির্ভর। বিশ্ববাজারে এর দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটলে এটি শুধু জ্বালানি খাত নয়, বিদ্যুৎ, শিল্প, কৃষি, মূল্যস্ফীতি ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে বহুমাত্রিক চাপ সৃষ্টি করে।

দেশে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা ৬৮ থেকে ৭০ লাখ মেট্রিক টন। আর মজুত সক্ষমতা রয়েছে ৪০ দিনের মতো। প্রকৃতপক্ষে এটি ১২০ দিনের থাকা দরকার।

যুদ্ধবিদ্যুৎশিল্পবিপিসিমজুদ তেলকৃষি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise