পাঁচ কোটি টাকার রেকিট বেনকিজারের ৮২ কোটি মুনাফা

সংগৃহীত ছবি
দেশীয় কোম্পানিগুলো ব্যবসায় সম্প্রসারনের নামে নিয়মিত বোনাস শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে মুনাফা কোম্পানিতে রেখে দেয়। তারপরেও মুনাফা বাড়ে না। অথচ বহূজাতিক কোম্পানিগুলো শত শত শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার পরে নিয়মিত মুনাফা বাড়ে। এমনকি নামমাত্র পরিশোধিত মূলধন নিয়েও দেশীয় শত শত কোটি টাকার কোম্পানির থেকে বেশি মুনাফা করে।
ঠিক এমনই ব্যবসা করে আসছে রেকিট বেনকিজার। কোম্পানিটির বিগত ১১ বছরের ইতিহাসে ৫৫০ শতাংশের নিচে লভ্যাংশ দেওয়ার রেকর্ড নাই। যেখানে দেশীয় কোম্পানিগুলোর জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়া দূরহ হয়ে উঠে। এরমধ্যে আবার থাকে বোনাস শেয়ার।
দেখা গেছে, রেকিট বেনকিজারের ২০২৫ সালে ৪ কোটি ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকার পরিশোধিত মূলধন দিয়ে শেয়ারপ্রতি ১৭২.৯৩ টাকা হিসেবে ৮১ কোটি ৭১ লাখ টাকার নিট মুনাফা হয়েছে।
এই মুনাফার বিপরীতে কোম্পানিটির পর্ষদ ১৭৩০ শতাংশ হারে শেয়ারপ্রতি ১৭৩ টাকা করে মোট ৮১ কোটি ৭৪ লাখ টাকার নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা শেয়ারবাজারের হাজার কোটি টাকার অনেক ব্যাংকের পক্ষেও সম্ভব হয় না।
এর আগের বছর বা ২০২৪ সালে রেকিট বেনকিজারের শেয়ারপ্রতি ১৫৯.১৭ টাকা হিসেবে নিট ৭৫ কোটি ২১ লাখ টাকার নিট মুনাফা হয়েছিল। ওই বছরের ব্যবসায় কোম্পানিটি থেকে ৩৩৩০ শতাংশ হারে ১৫৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকার নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছিল।
এ হিসাবে রেকিট বেনকিজারের ২০২৫ সালের ব্যবসায় মুনাফা বাড়লেও লভ্যাংশ ঘোষণার পরিমাণ বেড়েছে।
এ কোম্পানিটির ২০২৩ সালের ব্যবসায় শেয়ারপ্রতি ১৭৩.৬৫ টাকা হিসেবে নিট ৮২ কোটি ৫ লাখ টাকার নিট মুনাফা হয়েছিল। ওই বছরের ব্যবসায় কোম্পানিটি থেকে ৫৫০ শতাংশ হারে ২৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকার নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছিল।



