শেয়ারবাজারে লেনদেনে খরা

প্রতীকী ছবি
শেয়ারবাজারে টানা দরপতনের পাশাপাশি লেনদেনেও খরা দেখা দিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টানা দুই কার্যদিবস ধরে লেনদেন ৪০০ কোটি টাকার নিচে রয়েছে। এর মধ্যে গত শনিবার চলতি বছরের সর্বনিম্ন লেনদেনের রেকর্ড হয়েছে। রবিবার লেনদেন কিছুটা বাড়লেও বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে তেমন গতি ফেরেনি। এদিন অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমার পাশাপাশি প্রধান মূল্যসূচকও নিম্নমুখী ছিল।
স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্র জানিয়েছে এ তথ্য।
রবিবার ডিএসইতে ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবস শনিবার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩১৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৪৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা বা ১৫ দশমিক ২০ শতাংশ। তবে লেনদেনের পরিমাণ এখনো ৪০০ কোটি টাকার নিচে রয়েছে।
এদিকে, রবিবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪২৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর আগের কার্যদিবসে সূচকটি কমেছিল ১৯ পয়েন্ট। অর্থাৎ লেনদেন কিছুটা বাড়লেও সূচকের পতন থামেনি।
এর আগে শনিবার ডিএসইতে চলতি বছরের সর্বনিম্ন লেনদেন হয়। ওই দিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩১৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, যা গত বছরের ৩০ ডিসেম্বরের পর সর্বনিম্ন বলে স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য থেকে জানা গেছে। এর আগে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ডিএসইতে ৩০৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল।
রবিবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৮৬টি কোম্পানির মধ্যে ১০২টির বা ২৬ দশমিক ৪২ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। বিপরীতে ২১৭টির বা ৫৬ দশমিক ২২ শতাংশের দর কমেছে। আর ৬৭টির বা ১৭ দশমিক ৩৬ শতাংশের দর অপরিবর্তিত ছিল। এতে বাজারে দরপতনের প্রবণতাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) রবিবার ৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ১৩৯টি কোম্পানির মধ্যে ৪২টির দর বেড়েছে, ৭২টির কমেছে এবং ২৫টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
রবিবার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৩৬ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৫৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের কার্যদিবসে সূচকটি ৩ পয়েন্ট কমেছিল। ওই দিন সিএসইতে ৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। সে হিসাবে এক দিনের ব্যবধানে এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন বেড়েছে ১ কোটি ২১ লাখ টাকা।



