রপ্তানি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়্যাল ফুটওয়্যারের

সংগৃহীত ছবি
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে শতভাগ রপ্তানিমুখী জুতা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ফুটওয়্যার পিএলসি। শুধু ব্যবসা সম্প্রসারণ নয়; বরং রপ্তানি সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, বিশ্ববাজারে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান এবং করপোরেট সুশাসন জোরদার করা কোম্পানিটির লক্ষ্য।
আজ বৃহস্পতিবার গাজীপুরের টঙ্গীর তিলারগাতীতে কারখানা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেছেন রয়্যাল ফুটওয়্যার পিএলসির চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন পাটোয়ারী। এ সময় কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মহাব্যবস্থাপক মো. শামসুল ইসলাম চৌধুরীসহ অন্যান্য কর্কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জাকির হোসেন পাটোয়ারী বললেন, বর্তমানে রয়্যাল ফুটওয়্যার জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক মানের ফুটওয়্যার রপ্তানি করছে। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্র্যান্ডের জন্য উৎপাদন করছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে জুতা রপ্তানিতে বাংলাদেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থান অর্জন করে রয়্যাল ফুটওয়্যার।
তিনি বললেন, কোয়ালিফায়েড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) মাধ্যমে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য কোম্পানির মালিকানার একটি অংশ উন্মুক্ত করা হবে। আইকিউআইও থেকে সংগৃহীত অর্থের একটি বড় অংশ বিদ্যমান ব্যাংকঋণ পরিশোধে এবং বাকি অর্থ কাঁচামাল ও স্পেয়ার পার্টস সংগ্রহে ব্যয় করা হবে। এতে আর্থিক ব্যয় কমবে, নগদ প্রবাহ শক্তিশালী হবে, উৎপাদন কার্যক্রম গতিশীল হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে।
চেয়ারম্যান জানান, ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে আশুলিয়ায় ২০৬ শতাংশ জমির ওপর দ্বিতীয় উৎপাদন ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন ইউনিট চালু হলে উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং নতুন ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ ও রপ্তানি আয় বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।
কোম্পানিটি বিশ্বমানের নানা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের জন্য জুতা তৈরি করে। ব্র্যান্ডগুলো হলো- ডাইকম্যান, ইন্টারস্পোর্ট, সিসালফা, অ্যারেনা, রেডটেপ, ক্যাপা, অ্যাডমিরাল, ফুরো, বাটা, ক্যাট, বারটেক, জেডএক্সওয়াই, আমব্রো, লিডল, ফিলা, এলপিপি ও সিসিসি।
গত ১৪ জুলাই বিএসইসির ১০২০তম কমিশন সভায় শেয়ারবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা কিউআইও’র মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পায় রয়্যাল ফুটওয়্যার। কোম্পানিটি কিউআইওর মাধ্যমে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে ইস্যু করবে। সেহিসেবে কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংগ্রহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যাংকঋণ পরিশোধ, খুচরা যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল ক্রয় এবং শেয়ার ইস্যু সংক্রান্ত ব্যয় করবে।




