জিএসপি ফাইন্যান্সের স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগে বিএসইসির সম্মতি

সংগৃহীত ছবি
শেয়ারবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাবুক্ত কোম্পানি জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) পিএলসির নতুন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে সেলিম শাহেদকে নিয়োগে সম্মতি দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ নিয়োগের ক্ষেত্রে করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড, ২০১৮-এর অভিজ্ঞতাসংক্রান্ত শর্ত শিথিল করেছে কমিশন।
সম্প্রতি বিএসইসি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। জিএসপি ফাইন্যান্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং এ নিয়োগে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাপত্তি থাকায় কমিশন এ সম্মতি দিয়েছে।
বিএসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড, ২০১৮-এর শর্ত ১(৩)(ডি) অনুসারে সেলিম শাহেদের অভিজ্ঞতাসংক্রান্ত শর্ত শিথিল করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তাঁকে কোম্পানিটির স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পথ খুলেছে।
কমিশনের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাপত্তির ভিত্তিতে এ নিয়োগে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইস্যুয়ার কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগের প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। এ ক্ষেত্রে আগে দেওয়া যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাসংক্রান্ত অব্যাহতি নতুন নিয়োগ বা পুনর্নিয়োগের সময় পুনরায় নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে বিদ্যমান স্বতন্ত্র পরিচালকদের পুনর্নিয়োগে বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ ক্লিন ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) প্রতিবেদন পাওয়ার শর্ত রাখা হয়েছে। বিএসইসির ১০৩৩তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো স্বতন্ত্র পরিচালককে করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড, ২০১৮-এর শর্ত ১(৩)(খ) ও ১(৩)(গ)-এর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাসংক্রান্ত বিধান থেকে আগে অব্যাহতি দেওয়া হলে, অন্য তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে নিয়োগ কিংবা একই কোম্পানিতে পুনর্নিয়োগের ক্ষেত্রে আবার অব্যাহতি নিতে হবে না। আগের অব্যাহতিই প্রযোজ্য হবে।
বিএসইসির মতে, এ উদ্যোগের লক্ষ্য স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগের প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত করা এবং প্রক্রিয়া সহজ করা। পাশাপাশি নির্ধারিত শর্ত পরিপালনের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
উল্লেখ্য, স্বতন্ত্র পরিচালকরা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে স্বাধীনভাবে মতামত প্রদান এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।



