ডিজিটাল সেন্টার ২.০ রূপান্তরে উদ্যোক্তাদের নিয়ে কর্মশালা

ঢাকায় দুই দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল সেন্টার ২.০ রূপান্তর’ শীর্ষক কর্মশালা শুরু হয়েছে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোকে আরও টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং নাগরিককেন্দ্রিক সেবাদান প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর শ্যামলীর উদ্দীপন কনফারেন্স সেন্টারে কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ ব্লাইন্ড মিশন (বিবিএম) এ কর্মশালার আয়োজন করেছে। এতে কারিগরি ও সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে সরকারের এটুআই ও ইউএনডিপি।
দেশের ১৯টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের ৩৮ নারী ও পুরুষ উদ্যোক্তা কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। প্রথম দিনের কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটুআইয়ের জয়েন্ট প্রজেক্ট ডিরেক্টর (যুগ্ম সচিব) মো. রাশিদুল মান্নাফ কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনডিপির ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহা ইমায়ের, এটুআইয়ের হেড অব প্রজেক্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম এবং ডিজিটাল সেন্টার লিড অশোক বিশ্বাস।
বাংলাদেশ ব্লাইন্ড মিশনের নির্বাহী পরিচালক মো. জহুরুল ইসলাম, উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মেজাম্মেল হক, ড. গোলাম মোস্তফা এবং ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) উম্মে কাউসার সুমনাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা উল্লেখ করেন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী ডিজিটাল সেন্টারগুলোকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, উদ্যোক্তাবান্ধব ও আর্থিকভাবে টেকসই প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা প্রয়োজন। নাগরিকদের দোরগোড়ায় দ্রুত ও মানসম্মত সেবা পৌঁছে দিতে উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা এবং উদ্ভাবনী সেবার সম্প্রসারণ গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই ‘ডিজিটাল সেন্টার ২.০’ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
লিড কনসালট্যান্ট মো. ওমর ফারুক ও মো. এনামুল হকের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত কর্মশালায় ডিজিটাল সেন্টার রূপান্তর কৌশল, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আর্থিক টেকসইতা, নাগরিক সম্পৃক্ততা এবং সেবার মানোন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রয়েছে কারিগরি সেশন, দলীয় অনুশীলন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আয়োজন।
১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্লাইন্ড মিশন দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে কাজ করে আসছে। আয়োজকদের আশা, এ কর্মশালার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং গ্রামীণ এলাকায় ডিজিটাল সেবার বিস্তার আরও গতিশীল হবে।




