প্রযুক্তি খাতে নতুন দিগন্ত: বিএমসিসিআই ও ড্যাফোডিলের যৌথ উদ্যোগ

প্রযুক্তিখাতে নতুন দিগন্ত: বিএমসিসিআই ও ড্যাফোডিলের যৌথ উদ্যোগ
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) এবং ড্যাফোডিল গ্রুপ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) সহযোগিতায় দেশের উদীয়মান প্রযুক্তি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে স্বাক্ষর করেছে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)।
এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং উন্নত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে বাস্তবায়ন করা হবে উচ্চমানের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রম।
এই উদ্যোগটি গৃহীত হয়েছে ২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত গভর্নমেন্ট-টু-বিজনেস (জিটুবি) চুক্তির ধারাবাহিকতায়। উভয় দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের উপস্থিতিতে সম্পাদিত ওই চুক্তির অংশ হিসেবে বিএমসিসিআই মালয়েশিয়ার জাতীয় অ্যাপ্লাইড গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান মিমোসের সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তোলে, যা সেমি-কন্ডাক্টর খাতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদারে রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় বিএমসিসিআই ও ড্যাফোডিল, মিমোস এবং অ্যাডভান্সড সেমি-কন্ডাক্টর একাডেমি অব মালয়েশিয়ার মতো আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে গড়ে তুলবে দক্ষ মানবসম্পদ। এ উদ্যোগের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সেমি-কন্ডাক্টর ডিজাইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও আধুনিক ল্যাব স্থাপন।
পাশাপাশি ইন্টার্নশিপ, দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বাংলাদেশে শিল্পভিত্তিক ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরির বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে এতে।
সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষর করেন বিএমসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট শাব্বির আহমেদ খান এবং ডিআইইউর উপাচার্য ড. এম আর কবির। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএমসিসিআই ও ড্যাফোডিল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সমঝোতা বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতকে বৈশ্বিক মানচিত্রে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠার পথে বিবেচিত হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে গুরুত্বপূর্ণ।

