কুরিয়ার ও পার্সেল ডেলিভারিতে পাঠাও’য়ের ডিজিটাল পেমেন্ট

সংগৃহীত ছবি
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘পাঠাও’, তাদের কুরিয়ার ও পার্সেল সেবায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে ডিজিটাল পেমেন্ট অন ডেলিভারি। এই সুবিধার মাধ্যমে পার্সেল আইট ফর ডেলিভারি স্ট্যাটাসে গেলে গ্রাহকরা এসএমএসে পেমেন্ট লিংক পাবেন। লিংকে গিয়ে পে নাউ অপশনে ট্যাপ করে ব্যাংক কার্ড বা মোবাইল ওয়ালেটের (এমএফএস) মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন। ফলে পেমেন্টের জন্য আগে থেকে নগদ টাকা রাখা, ভাঙতি টাকা জোগাড় করা কিংবা পেমেন্ট করার জন্য ডেলিভারির স্থানে উপস্থিত থাকার প্রয়োজন হবে না। কুরিয়ার ডেলিভারিতে গ্রাহকদের পেমেন্টের স্বাধীনতা, নমনীয়তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
ডিজিটাল পেমেন্ট অন ডেলিভারি চালু করার মাধ্যমে পাঠাও কুরিয়ার ডেলিভারি প্রক্রিয়ার একটি দীর্ঘদিনের প্রচলিত সমস্যার সমাধান এনে দিয়েছে। আগে ডেলিভারি নেওয়ার সময় গ্রাহকদের নগদ টাকা রাখা বা ভাঙতির যে ঝামেলা পোহাতে হতো সেটির অবসান ঘটবে। পার্সেল হাতে পাওয়ার মুহূর্তে বা আগে নিরাপদ ও দ্রুত ডিজিটাল পেমেন্ট করতে পারবেন গ্রাহকরা। এ ছাড়াও গ্রাহক যদি ডেলিভারির স্থানে উপস্থিত নাও থাকেন, তারপরেও পেমেন্ট করতে কোন অসুবিধা হবে না। ফলে ডেলিভারি প্রক্রিয়া হবে আরও দ্রুত ও গ্রাহকবান্ধব।
এই উদ্যোগটি পাঠাও কুরিয়ারের সঙ্গে যুক্ত মার্চেন্টদের জন্যও নতুন মাত্রা নিয়ে এসেছে। ডেলিভারির পয়েন্টে একাধিক পেমেন্ট বিকল্প থাকায় মার্চেন্টদের গ্রাহকগণ কেনাকাটার শেষ ধাপ পর্যন্ত ঝামেলামুক্ত থাকতে পারবেন, যা গ্রাহকের অভিজ্ঞতাকে আরও আস্থাপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এটি কুরিয়ার খাতে প্রথাগত ক্যাশ-নির্ভরতাকে পরিবর্তিত করে বাংলাদেশে ডিজিটাল পেমেন্টের এক নতুন সংস্কৃতি গড়ে তুলবে।
এই ফিচারটির প্রসঙ্গে পাঠাও জানিয়েছে, যেকোন ডেলিভারিতে ডিজিটাল পেমেন্টকে একটি নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য অভ্যাসে পরিণত করা পাঠাও কুরিয়ারের অন্যতম লক্ষ্য। পার্সেল গ্রহণের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের পেমেন্টের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়ার পাশাপাশি এই উদ্যোগ মার্চেন্টদেরও উন্নত গ্রাহকসেবা দেওয়ার প্রয়াস আরও একধাপ এগিয়ে নিবে।
২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও, এমন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে যা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি সবার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাঠাও বাংলাদেশের বৃহত্তম ডিজিটাল কমার্স প্ল্যাটফর্ম এবং রাইড-শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও ই-কমার্স লজিস্টিক্সে বাজারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। ১৫ মিলিয়নের বেশি ব্যবহারকারী, ৪ লাখ পাঠাও হিরো, ২ লাখ মার্চেন্ট এবং ১৫ হাজার রেস্টুরেন্ট পার্টনারদের সঙ্গে নিয়ে পাঠাও সমগ্র বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করেছে।



