রূপায়ণ সিটিতে বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে উৎসব, একসঙ্গে উচ্ছ্বাসে মাতলেন বাসিন্দারা

বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে রূপায়ণ সিটি উত্তরায় আয়োজিত লাইভ স্ক্রিনিংয়ে দেশি-বিদেশি শত শত বাসিন্দা একসঙ্গে খেলা উপভোগ করেন। খেলা শেষে তিনটি বিশাল পর্দার সামনে করতালি, উচ্ছ্বাস আর আনন্দে মুখর হয়ে ওঠে পুরো কমিউনিটি। ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবলের আবেগ সবাইকে এক সুতায় বেঁধে দেয়।
রবিবার প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি রূপায়ণ সিটি উত্তরার এ আয়োজনে পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশ নেন শত শত বাসিন্দা। কমিউনিটিতে বসবাসরত ৩০০ জনের বেশি বিদেশি নাগরিকও এতে অংশ নেন।
পুরো আয়োজন পরিচালনা করে এক্সিলেন্স সার্ভিসেস লিমিটেড। বাসিন্দারা সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ আয়োজনের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের ভাষ্য, এমন আয়োজন প্রত্যাশারও বাইরে ছিল।
বাসিন্দারা উল্লেখ করেন, নিরাপদ পরিবেশে পরিবার নিয়ে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফাইনাল উপভোগের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন মনে থাকবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে খেলা দেখার আয়োজন থাকলেও নিরাপত্তা ও পরিবেশের কারণে তারা রূপায়ণ সিটির আয়োজনকেই বেছে নিয়েছেন। এ আয়োজন তাদের জন্য ছিল বাড়তি আনন্দের।
বাসিন্দা ওয়াসিউল হাবিব উল্লেখ করেন, বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় বসবাসের অভিজ্ঞতা থাকলেও এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল আয়োজন আগে দেখেননি। তার ভাষ্য, পরিবার নিয়ে বড় পর্দায় খেলা দেখার অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। পুরো পরিবেশ ছিল নিরাপদ, প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর। মুহূর্তগুলোতে স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার অনুভূতি পেয়েছেন।
বিদেশি নাগরিক জন স্মিথ মন্তব্য করেন, বিভিন্ন দেশে থাকলেও কোনো আবাসিক কমিউনিটিতে এত সুন্দরভাবে বিশ্বকাপ ফাইনাল আয়োজন খুব কমই দেখেছেন। এখানকার আন্তরিকতা, আতিথেয়তা এবং সবাই মিলে খেলা উপভোগের পরিবেশ তাকে মুগ্ধ করেছে।
নাসরিন আক্তার উল্লেখ করেন, শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ, পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ এবং সুন্দর ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে সন্ধ্যাটি তাদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমন আয়োজন প্রতিবেশীদের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে।
মোহাম্মদ হারুন মন্তব্য করেন, এটি শুধু খেলা দেখার আয়োজন ছিল না, বরং বাসিন্দাদের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসার একটি উপলক্ষ। এতে রূপায়ণ সিটি উত্তরার প্রাণবন্ত কমিউনিটি সংস্কৃতি আরও স্পষ্ট হয়েছে।
রূপায়ণ সিটি উত্তরার এক্সিলেন্স সার্ভিসেস লিমিটেডের প্রশাসন প্রধান মো. হাবিবুল্লাহ জুনায়েদ উল্লেখ করেন, তাদের লক্ষ্য শুধু আবাসন নির্মাণ নয়, বরং এমন একটি কমিউনিটি গড়ে তোলা যেখানে বাসিন্দারা একসঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করবেন এবং পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে এই আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল সবাইকে এক ছাদের নিচে নিয়ে আসা। বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই তাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কমিউনিটিভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।




