জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের আলোচনা
জুলাই শহীদ পরিবারে ৮ লাখ টাকা দিলেন মেয়র শাহাদাত

সংগৃহীত ছবি
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রামের উদ্যোগে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে ৫ আগস্ট বুধবার, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট, চট্টগ্রামের আহ্বায়ক সংস্কৃতিসেবী দিলশাদ আহমেদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ডা. মোহাম্মদ ঈসা চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পেশাজীবী নেতা ও জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের যুগ্ম মহাসচিব, কবি ও অভিনেতা এবিএম সোহেল রশিদ, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এস এম নছরুল কদির, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. খুরশিদ জামিল। প্রধান অতিথি মেয়র শাহাদাত হোসেন তার নিজস্ব তহবিল থেকে প্রতি পরিবারকে এক লাখ টাকা করে আটটি পরিবারকে ৮ লাখ টাকা প্রদান করেন।
মেয়র তার বক্তব্যে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। যারা দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের অবদান কখনো বিস্মৃত হওয়ার নয়। তাদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো এবং শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
প্রধান বক্তা তার বক্তব্যে বলেন,সাংস্কৃতিক ফ্যাসিস্টরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যেকোনো মূল্যে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রিন্সিপাল মো. শাহ আলমগীর, বিএনপি নেতা গাজী সিরাজ, ডা. জুবায়ের আল মাহমুদ, ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান, কবি ফারুক জাহাঙ্গীর, পরিবেশবিদ মোহাম্মদ আলী শাহীন, তৌহিদুল ইসলাম রানা, ফৌজিয়া শারমিন সম্পা, ডা. হারুন, নাদিয়া তাসনিম নিপা, সাইমন, শিহাব রিয়াদ, জুলফিকার আহমেদ, রিয়াদ মাহমুদ, আশরাফুল ইসলাম টিটু, ইলিয়াস ইলু, এস আই জুয়েল, মোহাম্মদ ফোরকান, ডা. রাইহান, মাসুদ আহম্মেদ রানা, মোহাম্মদ সাঈদ সহ সকল নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য, আত্মত্যাগ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও চেতনা তুলে ধরতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট, চট্টগ্রামের নিজস্ব শিল্পীদের দ্বারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।




