গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও স্বাধীনতা পদকের মোড়ক উন্মোচন

সংগৃহীত ছবি
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. আবুল কাশেম চৌধুরী বলেছেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্বপ্ন দেখেছেন, দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং প্রকৃত অর্থে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তুলেছেন এর সাধারণ কর্মীরা। আজ সোমবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।
সম্প্রতি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিন্তা, দর্শন ও কার্যক্রমের প্রতি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি আরও বলেছেন, এই প্রাপ্তি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সব কর্মীর শ্রম ও ত্যাগের ফল। কাজেই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিটি কর্মী এই প্রাপ্তির দাবিদার।
সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মী গীতা কর এবং বিউটি রানী। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি সন্ধ্যা রায়সহ গণ বিশ্ববিদ্যালয়, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও এর অঙ্গসংগঠনের কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সকালে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রাণপুরুষ ও প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এবং অন্য শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র্যালি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে পিএইচএ ভবন প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
উল্লেখ্য, এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর) এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জাতীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পদক লাভ করেছে।




