আইসিএও নিরাপত্তা অডিট উপলক্ষে জাতীয় ব্রিফিং

সংগৃহীত ছবি
আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) ইউনিভারসাল সিকিউরিটি অডিট প্রোগ্রাম-কন্টিনিউয়াস মনিটরিং অ্যাপ্রোচ (ইউএসএপি-সিএমএ)-এর আওতায় বাংলাদেশের বিমান নিরাপত্তা অডিট উপলক্ষে জাতীয় ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তর কুর্মিটোলায় এটি অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেবিচক সদর দপ্তরের চেয়ারম্যানের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এ ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমডোর মো. আসিফ ইকবাল, বিএসপি, বিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জিডি(পি)।
ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে বিমান নিরাপত্তা তদারকির কাঠামো ও কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। এ সময় বাংলাদেশের ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ আলমগীর দেশের বিমান নিরাপত্তা তদারকি ব্যবস্থা সম্পর্কে আইসিএও অডিটর দলকে অবহিত করেন। পরে আইসিএও অডিটর দলের টিম লিডার ক্যালাম ভাইন ব্রিফিং করেন। অনুষ্ঠানে আইসিএও অডিটর দলের সদস্য এবং বাংলাদেশের বিমান নিরাপত্তা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে এয়ার কমডোর মো. আসিফ ইকবাল নিরীক্ষা কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি নিরীক্ষা কার্যক্রমের স্বার্থে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য নির্ভুলভাবে এবং সময়মতো সরবরাহ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাক্ষাৎকার ও পর্যবেক্ষণের জন্য প্রস্তুত রাখা, নির্ধারিত বিমানবন্দর ও স্থাপনাগুলোতে নিরীক্ষক দলের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং জাতীয় সমন্বয়কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ ছাড়া জাতীয় ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে নিরীক্ষা কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং দেশের বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার ধারাবাহিক উন্নয়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
জাতীয় ব্রিফিং শেষে আইসিএও অডিট দলের সদস্যরা বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, বিএসপি, জিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, এসিএসসি, পিএসসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন আইসিএও নিরাপত্তা অডিট কেবল একটি মূল্যায়ন কার্যক্রম নয়; বরং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের আলোকে বাংলাদেশের জাতীয় বিমান নিরাপত্তা তদারকি ব্যবস্থা পর্যালোচনা, অর্জনগুলো চিহ্নিত করা এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রসমূহ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এ নিরীক্ষায় প্রাপ্ত পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ দেশের বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, নিরীক্ষায় প্রাপ্ত পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা নির্ধারিত সময়ে কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে বেবিচক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের আইসিএও নিরাপত্তা অডিট ২৬ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।



