আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষক তৈরির কৌশল নিয়ে আইএসইউতে বিশেষ সেমিনার

সংগৃহীত ছবি
শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির (আইএসইউ) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া ল্যাবে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমেদ মুসতাফা।
সেমিনারে ড. আহমেদ মুসতাফা তার দীর্ঘ একাডেমিক ও পেশাগত জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে গবেষণার প্রসার, উদ্ভাবনী শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং কার্যকর একাডেমিক নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বললেন, বিশ্বমানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাইলে প্রথমে বিশ্বমানের শিক্ষক তৈরি করতে হবে। আর সে জন্য গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক সংযোগের কোনো বিকল্প নেই। সেমিনারে তিনি ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরে উপস্থিত শিক্ষকদের আত্মউন্নয়ন ও নিরবচ্ছিন্ন শেখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চমানের পিএইচডি স্কলারশিপ ও গবেষণা তহবিল অর্জনের বিভিন্ন কৌশল তুলে ধরেন। তিনি গবেষণার অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাপত্র প্রকাশ, শক্তিশালী গবেষণা প্রস্তাব প্রস্তুত এবং সম্ভাব্য সুপারভাইজারের সঙ্গে কার্যকর ও পেশাদার যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আইকিউএসি-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. একরামুল হক বললেন, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নই শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত। তাই শিক্ষকদের জন্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে আইকিউএসি ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানোন্নয়নমূলক কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজন করবে।
সেমিনারের প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, একাডেমিক নেতৃত্ব এবং পেশাগত উন্নয়ন বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। প্রধান বক্তা বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং মূল্যবান পরামর্শ প্রদান করেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এইচটিএম কাদের নেওয়াজ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আবুল কাসেম, রেজিস্ট্রার মো. ফাইজুল্লাহ কৌশিক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারপার্সনসহ শিক্ষক এবং কর্মকর্তাবৃন্দ। অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা সেমিনারটিকে পেশাগত উন্নয়ন ও একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনে একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেন।




