বিশ্ববাজারে কমল সোনা-রুপার দাম

সংগৃহীত ছবি
ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা এবং এর প্রভাবে তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কার মধ্যে বিশ্ববাজারে সোনা ও রুপার দাম কমেছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান ধাতুগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। যা দেশের বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ মঙ্গলবার স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৪৪ দশমিক ৩৩ ডলারে নেমেছে। তবে জুন মাসের ডেলিভারির জন্য মার্কিন সোনার ফিউচার ০.৫ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৫৪৫ দশমিক ৬০ ডলারে পৌঁছেছে।
এদিকে, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে দক্ষিণ ইরানে কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম প্রায় ২ শতাংশ বেড়েছে। তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতির চাপও বাড়ে, ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো দীর্ঘ সময় উচ্চ সুদের হার বজায় রাখতে পারে— এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চ সুদের হার সাধারণত সোনার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কারণ সোনা কোনো সুদ বা মুনাফা দেয় না। ফলে বিনিয়োগকারীরা অন্য সম্পদের দিকে ঝুঁকতে পারেন।
শুধু সোনা নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৭ দশমিক ৪২ ডলারে নেমেছে। এ ছাড়া প্লাটিনামের দাম ০.৫ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৬ শতাংশ কমেছে।
বিশ্ববাজারে এ দরপতনের প্রভাব দেশের বাজারেও পড়তে পারে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে সাধারণত দেশীয় বাজারেও তার প্রতিফলন দেখা যায়। ফলে আগামী দিনে সোনা ও রুপার দাম পুনঃনির্ধারণ করা হতে পারে।
সর্বশেষ ২৫ মে বাজুস সোনা ও রুপার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায় এবং ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা।






