বাণিজ্যমন্ত্রী
চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়াতে চায় সরকার

সংগৃহীত ছবি
ব্যবসার খরচ কমাতে চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়াতে চায় সরকার। এলডিসি উত্তরণকে মাথায় রেখে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। এমনটাই জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
আজ বুধবার রাজধানীতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিজিএমইএর যৌথ উদ্যোগে সার্কুলার অর্থনীতি নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেছেন। এ সময় সার্কুলার অর্থনীতিতে বিনিয়োগের আগ্রহ জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তারা জানায়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশে এটি সহায়ক হবে।
সার্কুলার অর্থনীতি নিয়ে সেমিনারে উদ্যোক্তারা জানান, বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই সমাধান চান তারা। দেশে তৈরি পোশাক খাত থেকে বছরে প্রায় ৬ লাখ টন টেক্সটাইল বর্জ্য উৎপাদিত হয়। এর মাত্র ৫ শতাংশ পুনর্ব্যবহার করতে পারেন উদ্যোক্তারা।
টেক্সটাইল বর্জ্যের প্রক্রিয়াকরণ সংকট নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে শিল্প ও পরিবেশে। তাই সক্ষমতা বাড়িয়ে কাঁচামালের অপচয় কমানোর পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই সমাধান চান উদ্যোক্তারা।
ইইউর রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেছেন, ‘এলডিসি উত্তরণ হলে স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। বিশেষ বাজার সুবিধা শেষ হয়ে যাবে।’
এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। লজিস্টিক খরচ কমিয়ে আনতে চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়ানোর কথাও জানান তিনি।



