Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের ভাগ্য বদলাচ্ছেন জুয়েল
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় অর্থনীতি

নম্বরের ভিত্তিতে হবে প্রকল্পের মূল্যায়ন

হামিদ-উজ-জামান
হামিদ-উজ-জামান
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৮
শেয়ার করুন:
নম্বরের ভিত্তিতে হবে প্রকল্পের মূল্যায়ন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বাড়াতে এবার ভিন্নধর্মী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে বদলে যাচ্ছে প্রচলিত পদ্ধতি। নম্বরের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে উন্নয়ন প্রকল্প। অর্থাৎ বিভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে কোনো প্রকল্প যদি ৭৫-১০০ নম্বর পায়, তাহলে সেটির অবস্থান হবে রেড বা লাল জোনে। এর মানে হলো, খুব খারাপ অবস্থা। এ ছাড়া ৫০-৭৪ নম্বর পেলে সেটি যাবে ইয়েলো বা হলুদ জোনে। এর অর্থ মধ্যবর্তী অবস্থায় আছে। ৫০ নম্বরের

প্রকল্পমূল্যায়ন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে হামলায় যুবক নিহত

    জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে হামলায় যুবক নিহত

    শ্যামলকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আততায়ীদের হাতে তুলে দেন বিশ্বস্ত মাঝি

    শ্যামলকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আততায়ীদের হাতে তুলে দেন বিশ্বস্ত মাঝি

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    রহস্যজনক আজাদ পাটওয়ারীর সন্দেহজনক লেনদেন

    রহস্যজনক আজাদ পাটওয়ারীর সন্দেহজনক লেনদেন

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন, সরকারি ছুটি কত দিন?

    ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন, সরকারি ছুটি কত দিন?

    সবার আগে দরকার...

    সবার আগে দরকার...

    কিস্তি না দেওয়ায় গৃহবধূকে পুলিশে দিলেন এনজিওকর্মীরা

    কিস্তি না দেওয়ায় গৃহবধূকে পুলিশে দিলেন এনজিওকর্মীরা

    শ্রমিক অসন্তোষ : ইন্ধনের প্রশ্নে সরকার-বিরোধী দল উভয়ের এক সুর

    শ্রমিক অসন্তোষ : ইন্ধনের প্রশ্নে সরকার-বিরোধী দল উভয়ের এক সুর

    সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক তাজিম, সদস্য সচিব রাকিব

    সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক তাজিম, সদস্য সচিব রাকিব

    রাত ৮টা থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বেশি

    রাত ৮টা থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বেশি

    গাজীপুরে মহাসড়কে ফের শ্রমিকদের অবস্থান, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    গাজীপুরে মহাসড়কে ফের শ্রমিকদের অবস্থান, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    দরপত্র ছাড়াই স্কুলের নির্মাণসামগ্রী বিক্রি করে শিক্ষকদের আনন্দ ভ্রমণের অভিযোগ

    দরপত্র ছাড়াই স্কুলের নির্মাণসামগ্রী বিক্রি করে শিক্ষকদের আনন্দ ভ্রমণের অভিযোগ

    ৬২৭ টাকা থেকে ১২,৫০০: পোশাকশ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা বেতন দাবি কতটা যৌক্তিক

    ৬২৭ টাকা থেকে ১২,৫০০: পোশাকশ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা বেতন দাবি কতটা যৌক্তিক

    দক্ষিণ কোরিয়ায় তায়কোয়ান্দোতে সোনা ও রুপা জিতলেন বাংলাদেশি নাফিউল

    দক্ষিণ কোরিয়ায় তায়কোয়ান্দোতে সোনা ও রুপা জিতলেন বাংলাদেশি নাফিউল

    নিচে
    থাকলে
    সেসব
    প্রকল্পের
    অবস্থান
    সবচেয়ে
    ভালো।
    এর
    মানে
    হলো
    ,
    বাস্তবায়ন
    সঠিক
    পথেই
    রয়েছে।
    নম্বর
    দেওয়ার
    প্রধান
    ভিত্তিগুলো
    হবে
    প্রকল্পের
    মেয়াদ
    বৃদ্ধি
    হয়েছে
    কি
    না।
    ব্যয়
    বেড়েছে
    কি
    না।
    বার্ষিক
    বাস্তবায়ন
    অগ্রগতি
    ,
    ক্রমপুঞ্জিত
    খরচ
    ,
    দরপত্র
    প্যাকেজের
    অবস্থা
    ,
    ভূমি
    অধিগ্রহণ
    ,
    পিএসসি
    ও
    পিআইসি
    সভা
    হয়
    কি
    না
    এবং
    গভর্ন্যান্স।
    এগুলোর
    আবার
    উপখাতভিত্তিক
    মার্কিং
    করা
    থাকবে।

    এই পদ্ধতি বাস্তবায়নে একটি নীতিমালা তৈরি করেেছ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। এরই মধ্যে এটির প্রাথমিক খসড়া তৈরি শেষ হয়েছে। এখন চলছে ঘষামাজা। এরপরই সেটি মন্ত্রণালয়গুলোর মতামতের জন্য পাঠানো হবে। সেটি পেলে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে মতবিনিময় করা হবে। এর মধ্য দিয়ে এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের দিকে যাবে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের। এসব রঙ দিয়ে অবস্থা চিহ্নিত করার পর সেটি থাকবে ড্যাশবোর্ডে। প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্তাব্যক্তিরা এবং আইএমইডি চাইলে যেকোনো সময় মোবাইল ফোনেই আপডেট দেখতে পারবেন। পাশাপাশি অবস্থার উন্নতি ঘটলে সে প্রকল্পের ধাপ পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। এটি বাস্তবায়নের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কেননা রঙ দিয়ে এই গ্রেডিং পদ্ধতিতে তাদের আপত্তি থাকতে পারে। যদিও এটি প্রকল্প পরিচালকদেরও ছোট করার জন্য নয়; বরং প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটানো।

    আইএমইডির সাবেক সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ আগামীর সময়কে বলেছেন, এটি খুবই ভালো উদ্যোগ। কিন্তু নম্বর দেওয়ার যে ক্রাইটেরিয়া, সেগুলো ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে। এ ছাড়া আইএমইডিকে শক্তিশালী করা জরুরি। কেননা এভাবে মূল্যায়ন করার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো কী ব্যবস্থা নিয়েছে, সেটি যেন অবশ্যই আইএমইডিকে জানায়। এজন্য প্রয়োজনে আইএএমইডির সক্ষমতা বাড়াতে আইনগত ভিত্তি সৃষ্টি করতে হবে। না হলে যাই করুন না কেন, ফলাফল ভালো হবে না। তিনি আরও বললেন, বিভাগীয় পর্যায়ে আইএমইডির আঞ্চলিক কার্যালয় করা দরকার। কেননা প্রায় ১৬০০-১৭০০ প্রকল্প ঢাকায় বসে মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়।

    আইএমইডি সূত্র জানায়, মূল্যায়নের মানদণ্ডগুলোকে যেভাবে ভাগ করা হয়েছে, সেগুলো হলো— মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নম্বর হচ্ছে ২০। এক্ষেত্রে একবার বাড়লে ৫, দ্বিতীয়বার ১০ এবং তৃতীয় থেকে বেশিবার হলে তখন ২০ মার্ক পাবে সেই প্রকল্প। এ ছাড়া ব্যয় বৃদ্ধির মোট নম্বর হলো ২০। এ ক্ষেত্রে প্রকল্পের ব্যয় থেকে ১০ শতাংশ বাড়লে সেক্ষেত্রে পাবে ৫ নম্বর। এ ছাড়া ১১-২০ শতাংশ বাড়লে ১৫ নম্বর এবং ২০-৫০ শতাংশ ব্যয় বাড়লে পাবে ২০ নম্বর। এভাবে ভাগ করে নম্বর দেওয়া হবে। একইভাবে বার্ষিক বাস্তবায়ন অগ্রগতির ক্ষেত্রে আছে পাঁচটি সাব-সেক্টর। ক্রমপুঞ্জিত অগ্রগতির ক্ষেত্রে তিনটি সাব-সেক্টর, ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে আছে পাঁচটি সাব-সেক্টর এবং গভর্ন্যান্সের ক্ষেত্রে চারটি। এভাবে অন্যান্য মানদণ্ডের ক্ষেত্রে আছে উপ-মানদণ্ড এবং মার্কিং ভাগ করে দেওয়া।

    আইএমইডি সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছর বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) চলমান রয়েছে ১ হাজার ১৭২টি। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প ৯৮৬টি, সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ২৩টি, কারিগরি সহায়তার ১০৯টি, উন্নয়ন সহায়তা (থোক) ৯টি এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়নের প্রকল্প রয়েছে ৪৫টি। এসব প্রকল্প মূল্যায়নের দায়িত্ব পালন করছে আইএমইইডি। এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চলমান প্রকল্প ছিল ১ হাজার ১৭২টি, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৬৩টি এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এডিপিতে চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ছিল ১ হাজার ৬৮৬টি।