ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর এনসিপি নেতা বহিষ্কার

সংগৃহীত ছবি
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ইয়াবা বিক্রির সময় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা শাকিল খানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম জুয়েল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার কর্মকাণ্ডে দলের নীতি, আদর্শ ও ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হওয়ায় উপজেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল খানকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃত শাকিল খান উপজেলার পশ্চিম সীচা (হাজীপাড়া) গ্রামের নুর মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি সদ্য ঘোষিত এনসিপির সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালায় কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র। এসআই (নিরস্ত্র) মো. নওশের আলীর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে জোবেদা ফিলিং স্টেশনের কাউন্টারের পাশে ইয়াবা বিক্রির সময় শাকিলকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তার দেহ তল্লাশি করে আটটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এরপর তাকে সুন্দরগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়। এ ঘটনায় এসআই মো. নওশের আলী বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক আল শাহাদাত জামান জিকো বললেন, ‘মাদক-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর সাংগঠনিকভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাকে দলের সদস্যপদসহ সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’




