প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে কমিটি

প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন— সংগৃহীত
নেত্রকোনায় এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সম্পদ আত্মসাৎ, গাছ কেটে ফেলাসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। এসব তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম জেলার পূর্বধলার হোগলা ইউনিয়নের পানিশা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে গতকাল সোমবার বিকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। নজরুল ইসলামের বরখাস্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই বিদ্যালয়ের দুটি বড় মেহগনি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। বিদ্যালয়ের সম্পত্তি ও অনুদানের তহবিলের সঠিক হিসাব রাখা হয় না। প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও দিন দিন কমছে।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম। তার দাবি, ঝড়ে উপড়ে পড়া দুটি গাছ তৎকালীন ইউএনওর পরামর্শে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের লিখিত প্রস্তাবের (রেজুলেশন) মাধ্যমে কাটা হয়েছে। গাছের কাঠ দিয়ে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র তৈরি করা হচ্ছে। তীব্র জনবল সংকট থাকায় প্রশাসনিক কাজের অতিরিক্ত চাপ রয়েছে বলেও জানান তিনি। এসব অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র বলে মনে করেন নজরুল।
তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা জানালেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু বক্কর ছিদ্দিক।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’







