Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

পাবনা

বাড়ছে হামের সংক্রমণ, ৩৮ শয্যায় ভর্তি দেড় শতাধিক

পাবনা প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৩:৩৯
বাড়ছে হামের সংক্রমণ, ৩৮ শয্যায় ভর্তি দেড় শতাধিক

প্রতীকী ছবি

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যাসংখ্যা ৩৮টি। এখন সেখানে ভর্তি দেড় শতাধিক। বেশিরভাগই হামে আক্রান্ত কিংবা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন। হামের জন্য নির্ধারিত আইসোলেশন ওয়ার্ডের ১০ শয্যাও রোগীতে পূর্ণ। সংক্রমণ বাড়তে থাকায় জরুরি ভিত্তিতে দ্বিতীয় একটি আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।

হাসপাতালে সেবা দিতে এখন হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। সবশেষ তথ্যানুযায়ী, নতুন করে আরও ছয় রোগী সেখানে ভর্তি হয়েছে।

অতিরিক্ত রোগীচাপে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহেও হিমশিম খাচ্ছে- বললেন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. জাহিদুল ইসলাম।

‘২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ রোগী ভর্তি থাকেন। একইভাবে শিশু ওয়ার্ডেও ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি রোগী রয়েছে। সেই তুলনায় ওষুধ, অবকাঠামো ও লজিস্টিক সাপোর্টের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং গুরুত্বপূর্ণ ওষুধগুলো হাসপাতাল থেকেই সরবরাহ করা হচ্ছে।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশু ওয়ার্ডের কাঁচঘেরা একটি নির্দিষ্ট অংশকে ‘হাম আইসোলেশন ইউনিট’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ার পরেও সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের অবাধ আনাগোনা চলছে আইসোলেশন এলাকায়। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বারবার নিষেধ করা হলেও নেই সচেতনতা।

আইসোলেশন ব্যবস্থা শতভাগ কার্যকর না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা। সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা পেতে সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

পাবনাহাসপাতালহামের সংক্রমণ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise