Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনা ভাড়ায় শিক্ষার্থীদের খেয়া পার
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

রংপুরে চার খুন

আদালতে সীমান্তের জবানবন্দি, বর্ণনা মিলেছে আসামিদের সঙ্গে

রংপুর অফিস
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৮
আদালতে সীমান্তের জবানবন্দি, বর্ণনা মিলেছে আসামিদের সঙ্গে

রংপুরে নিহত গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবার। ছবি: সংগৃহীত

রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় সাক্ষী হিসেবে সীমান্ত চন্দ্র দাস নামে এক যুবকের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার রাতে রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে সীমান্তের জবানবন্দি নেওয়া হয়।

সীমান্ত চন্দ্র দাস নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার সুবাস চন্দ্র দাসের ছেলে। গ্রেপ্তার হওয়া আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস তার বন্ধু। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানিয়েছেন, সীমান্ত তার বাবার সঙ্গে আদালতে এসে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, গ্রেপ্তার দুই আসামির দেওয়া জবানবন্দির সঙ্গে সীমান্তের বক্তব্যের মিল পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের রাতে আসামিরা সীমান্তের বাড়িতে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলেও তার জবানবন্দিতে উঠে এসেছে।

এর আগে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তারের পর গত রবিবার সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ জানিয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ডের রাতে ওই দুই যুবক সীমান্তের বাড়িতে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন। পরে তারা গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ওঠেন। শব্দ শুনে গণপতি সেখানে গেলে তাকে হত্যা করা হয়।

এরপর পরিবারের অন্য তিন সদস্যকেও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে জানান তিনি।

আসামিদের ডোপ টেস্ট করা হবে কি না, জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী জানিয়েছেন, ডোপ টেস্টের জন্য সোমবার সকালে ডকেট পাওয়ার পর এরইমধ্যে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

রংপুরে চার খুনের তদন্তে ডিবি

২৫ আগস্ট ২০২৬

তিনি বলেছেন, হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের বক্তব্য ও বিভিন্ন তথ্যের মধ্যে অমিল নিয়ে যে প্রশ্ন ও সমালোচনা উঠেছে, তদন্তের মাধ্যমে সেসবের উত্তর খোঁজা হবে। এ মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

গত শনিবার রাতে নগরীর বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় এলাকার ভাড়া বাসা থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রবিবার ভোরে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। মুগ্ধ নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে এবং সিদ্ধার্থ বিনয় চন্দ্র দাসের ছেলে।

ওই দিন দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ জানিয়েছিলেন, ইয়াবা সেবনের উদ্দেশ্যে তারা গণপতির বাড়ির ছাদে উঠেছিলেন। পরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রবিবার নগরীর কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ওই রাতেই মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

গণপতি চক্রবর্তী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রংপুর জিলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হিসেবে অবসর নেন। অবসরের পর তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবে রোগী দেখতেন। নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় জমি কিনে দোতলা বাড়ি নির্মাণ শুরু করেছিলেন তিনি। নিচতলার কাজ শেষ না হলেও দুই-তিন বছর ধরে পরিবার নিয়ে দোতলায় বসবাস করছিলেন।

রংপুরখুনশিক্ষক
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    গণি রোড থেকে সরছে সচিবালয়, বসবে আদালত

    গণি রোড থেকে সরছে সচিবালয়, বসবে আদালত

    বেতন নাকি শেখার সুযোগ— কোনটি বেছে নেবেন

    বেতন নাকি শেখার সুযোগ— কোনটি বেছে নেবেন

    মামলা না করার শর্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে টাকা নেন বীথির স্বামী

    মামলা না করার শর্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে টাকা নেন বীথির স্বামী

    বিএনপির এমপির সুপারিশে মাদ্রাসার সভাপতি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

    বিএনপির এমপির সুপারিশে মাদ্রাসার সভাপতি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

    রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় ২ বাংলাদেশিসহ নিহত ১২

    রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় ২ বাংলাদেশিসহ নিহত ১২

    ‘একটা আইসিইউ সিটের জন্য শ খানেক ফোন করেছি’

    ‘একটা আইসিইউ সিটের জন্য শ খানেক ফোন করেছি’

    শেকৃবির হল ক্যান্টিনে পোড়া তেল ব্যবহারের অভিযোগ

    শেকৃবির হল ক্যান্টিনে পোড়া তেল ব্যবহারের অভিযোগ

    প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত দুটোই জরুরি

    প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত দুটোই জরুরি

    সাজেক ভ্যালি বন্ধ ঘোষণা, পর্যটকদের ফিরে যাওয়ার নির্দেশ

    সাজেক ভ্যালি বন্ধ ঘোষণা, পর্যটকদের ফিরে যাওয়ার নির্দেশ

    ব্যাগ হারানো জার্মান পর্যটককে ল্যাপটপ উপহার

    ব্যাগ হারানো জার্মান পর্যটককে ল্যাপটপ উপহার

    সড়ক অবরোধ সাজেকে, আটকা দুই হাজার পর্যটক

    সড়ক অবরোধ সাজেকে, আটকা দুই হাজার পর্যটক

    দেশের জ্বালানিতে এখন শুধুই যুক্তরাষ্ট্র

    দেশের জ্বালানিতে এখন শুধুই যুক্তরাষ্ট্র

    ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে জানা গেল নানা পাটেকরের মৃত্যুর কারণ

    ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে জানা গেল নানা পাটেকরের মৃত্যুর কারণ

    রবিঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি : আয়াসসহ ৪ জন রিমান্ডে

    রবিঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি : আয়াসসহ ৪ জন রিমান্ডে

    প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা পড়ালেন সাবেক মেয়র বেলাল

    প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা পড়ালেন সাবেক মেয়র বেলাল