গোপালগঞ্জে দুই মহাসড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ, সাত মাসে নিহত ৩৩

ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গোপালগঞ্জ অংশ পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। ছবি: আগামীর সময়
ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গোপালগঞ্জ অংশ পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। প্রাণ হারানোর শঙ্কা নিয়েই এই পথে চলাচল করছেন যাত্রীরা।
গত সাত মাসে এই দুই মহাসড়কের গোপালগঞ্জ অংশে ঘটেছে প্রায় অর্ধশতাধিক দুর্ঘটনা। এতে মৃত্যু হয়েছে ৩৩ জনের। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।
কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়ার বাসিন্দা কেরামত মোল্রা ও সদর উপজেলার গোপিনাথপুরের রহমান শরীফ জানান, এই দুই সড়কে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচল করে নছিমন-করিমনসহ বিভিন্ন থ্রি-হুইলার। অদক্ষ চালক আর বেপরোয়া গতিতে যান চলাচল করায় বেড়েই চলেছে দুর্ঘটনা। পাশাপাশি মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে অপরিকল্পিত বাঁক। এতে একের পর এক ঝরছে প্রাণ, পরিবারগুলো হারাচ্ছে তাদের প্রিয়জন। পঙ্গু হয়ে যাচ্ছেন অনেকে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত।
বাস চালক আকরর আলী ও তমাল শেখ উল্লেখ করেন, একই সড়কে ধীরগতির ভ্যান, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের সঙ্গে দ্রুতগতির বাস-ট্রাক চলাচল করায় দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। দুর্ঘটনা কমাতে সড়ক দুটিকে দ্রুত চার লেনে উন্নীত করার দাবি জানান তারা।
দ্রুতগতির যানবাহনের লাগাম টানা, দক্ষ চালক নিশ্চিত করা এবং মহাসড়কে অনিয়ন্ত্রিত ছোট যানবাহন চলাচল বন্ধের পাশাপাশি দ্রুত চার লেনে উন্নীত করলে কমে আসবে মৃত্যুর মিছিল- এমনটাই মনে করেন অভিজ্ঞমহল।
গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি রকোনুজ্জামানের ভাষ্য, দুর্ঘটনা রোধে নিয়মিত টহল, বেপরোয়া ও দ্রুতগতির যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে চালকদের সচেতন করা হচ্ছে।







