কালিন্দীতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ মিলল ইছামতী নদীতে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ সীমান্তে কালিন্দী নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া জেলে মো. পিয়ার আলী গাজীর (৭০) মরদেহ প্রায় ৩৪ ঘণ্টা পর ইছামতী নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত পিয়ার আলী গাজী কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বসন্তপুর গ্রামের মৃত রিয়াজুল গাজীর ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে পিয়ার আলী গাজী একা একটি ডিঙি নৌকা নিয়ে কালিন্দী নদীতে মাছ ধরতে যান। সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজ শুরু করেন। পরে স্থানীয়রাও তাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে রাতভর কালিন্দী নদীর বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালান। তবে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার সকালে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিস ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে জানানো হলে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এবং স্থানীয় শতাধিক মানুষ দিনভর কালিন্দী নদী ও আশপাশের শাখা নদীগুলোতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত তার সন্ধান মেলেনি।
অবশেষে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিখোঁজ হওয়ার স্থান থেকে কিছুটা দূরে ইছামতী নদীর খারহাট সীমান্ত এলাকায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। স্বজনরা মরদেহটি পিয়ার আলী গাজীর বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয়দের ধারণা, মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত অথবা আকস্মিক শারীরিক অসুস্থতার কারণে নদীতে পড়ে গিয়ে তীব্র স্রোতে ভেসে যেতে পারেন তিনি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন কালিগঞ্জ থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম। বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী নদীতে ঘটনাটি ঘটায় তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে শনিবার সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।’







