রেজিস্ট্রিতে জাল কাগজ, দুই দলিল লেখক বহিষ্কার

কোটালীপাড়ায় সাময়িক বহিষ্কার হওয়া দলিল লেখক মিজানুর রহমান বুলবুল (বাঁয়ে) ও নাসির উদ্দিন। ছবি: আগামীর সময়
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে দলিল রেজিস্ট্রির অভিযোগে দুই দলিল লেখককে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কেন নেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে দেওয়া হয়েছে কারণ দর্শানোর নোটিস।
ওই দুজন হলেন, উপজেলার বংকুরা গ্রামের নাসির উদ্দিন শেখ এবং কাঠি গ্রামের মিজানুর রহমান বুলবুল শরীফ। গত মঙ্গলবার উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেন এই বহিষ্কারাদেশ দেন।
কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কয়েকজন দলিল লেখকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেন উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নাসির উদ্দিন ও মিজানুর রহমানকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।
মিজানুর রহমানের ভাষ্য, গত ১৫ জুলাই উনশিয়া গ্রামের মৃত ফহম মিয়ার স্ত্রী আমেনা বেগম দলিল ও পর্চার কাগজ নিয়ে তার কাছে আসেন। তিনি প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী দলিল প্রস্তুত করে সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দেন। যাচাই শেষে দলিলের রেজিস্ট্রি হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, আমেনা বেগম জাল কাগজ এনেছিলেন।
নাসির উদ্দিনের দাবি, একটি দলিল রেজিস্ট্রির জন্য কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর তা জাল বলে অভিযোগ তুলে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেন বললেন, ‘সাময়িক বহিষ্কার হওয়া দুজন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শোকজের সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’






