সৌভাগ্যের চার বরপুত্র

ছবিঃ আগামীর সময়
চট্টগ্রামে ১৬ আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপির হয়ে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন সাবেক মন্ত্রীদের ছেলেরা। এই চারজন হলেন, সাবেক মন্ত্রী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে সাঈদ আল নোমান, সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে মিশকাতুল ইসলাম পাপ্পা, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও মেয়র মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের ছেলে ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন ও বিএনপি নেতা প্রয়াত সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী।
চট্টগ্রাম-১০ আসনে নোমানের ছেলে
চট্টগ্রাম-১০ আসনটি নগরের হালিশহর, ডবলমুরিং, পাঁচলাইশের একাংশ, খুলশীসহ বিশাল এলাকা নিয়ে গঠিত। ২০০৮ সালে এই আসন থেকে বিএনপির পক্ষে নির্বাচন করেছিলেন সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান। সেবার বাবার পক্ষে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়িয়েছেন ছেলে সাঈদ আল নোমান তুর্য। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নোমানের মৃত্যুর পর এবার ছেলে তুর্যকে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেয় দলটি।
এই আসনে মোট প্রার্থী ৯ জন। এখানে জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী শুলকবহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন এবার। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯২ হাজার ৪৪৪ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৪২ হাজার ৬৩২ জন নারী ভোটার।
চট্টগ্রাম-৪ (হাটহাজারী-নগর আংশিক) আসনে মীল হেলাল
সাবেক মেয়র এবং প্রতিমন্ত্রী মীর মোহামম্মদ নাছির উদ্দিন এই আসন থেকে বার বার মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। মীর নাছির এখন বয়োবৃদ্ধ। তার জীবদ্দশায় হাটহাজারী আসন থেকে বিএনপির হয়ে মনোয়ন পেয়েছেন ছেলে মীর হেলাল। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা। এখানে জামায়াত জোটের প্রার্থী খেলাফতে মজলিসের মো. নাসির উদ্দিন। মোট ভোটার ৫ লাখ ১ হাজার ৯১৬ জন।
চট্টগ্রাম- ৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে হুম্মাম
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এখান থেকে বার বার নির্বাচিত হয়েছেন। এখন তার ছেলে হুম্মাম কাদের ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এখানে মোট প্রার্থী আটজন। মোট ভোটার ৩ লাখ ১৯ হাজার ৮ জন।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে মিশকাতুল
সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে মিশকাতুল বাবার আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। জাফরুল এখান থেকে বার বার নির্বাচিত হয়েছেন অতীতে। এবার এই আসনে প্রতিদ্বদ্বি প্রার্থী ৭ জন। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ১১ হাজার ২৭৪ জন।



