মীর শাহে আলম
যতই সমালোচনা করেন, আমরা বগুড়া নিয়ে ভাববই

স্থানীয় সরকার, পল্লী ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
যতই সমালোচনা হোক, বগুড়া থেকে নির্বাচিত আমরা সাত সংসদ সদস্য বগুড়া নিয়ে ভাবব। এমন মন্তব্য করলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আজ রবিবার বগুড়ার মম ইন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন তিনি।
এদিন ‘তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটির দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং ‘ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড’-যৌথভাবে এই আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বগুড়ায় যা হচ্ছে, এটা শূন্যস্থান পূরণ হচ্ছে। বগুড়ায় যদি একটা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়, আপনাদের এত খারাপ লাগে কেন? রেললাইন হয়ে যদি ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের দূরত্ব ১৪৪ কিলোমিটার কমে, তাহলে আপনাদের খারাপ লাগে কেন?
এমন প্রশ্ন উত্থাপন করে মীর শাহে আলম বললেন, প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত উদারপন্থী। উনি ৬৪ জেলা নিয়ে ভাবেন। কিন্তু আমরা বগুড়া থেকে যারা নির্বাচিত হয়েছি সাতজন, আমরা ভাই বগুড়া নিয়ে ভাবব। পার্লামেন্ট বলেন আর বাইরে বলেন- যতই সমালোচনা করে, আমিসহ বগুড়ার সাত এমপি বগুড়ার উন্নয়নের ব্যাপারে এক বিন্দু ছাড় দিতে রাজি নই।
স্থানীয় সরকারের প্রতিমন্ত্রী জানালেন, এই কারণে মনে হচ্ছে বগুড়ায় অনেক কিছু হচ্ছে। হচ্ছে, যেটা বগুড়ায় নেই। আমরা এতই অভাগা যে, ২০ বছরে বগুড়ায় একটা ফুটবল স্টেডিয়াম নেই। আজকে আমরা ধন্য, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে আমরা সেই ফুটবল স্টেডিয়ামের জন্য স্থান দেখব।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। আয়োজনে চলমান ফ্রিল্যান্সিং প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী বিভাগের সফল ২৪ জন ফ্রিল্যান্সারকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় এবং বিভাগীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ আয়কারী আটজনের হাতে ল্যাপটপ তুলে দেন তিনি।
প্রধান অতিথি বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে যুবসমাজকে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে সরকার কাজ করছে।
এ ছাড়া যুব ও কিশোরদের জন্য বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা জানালেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ৬৪টি জেলা থেকে বাছাইকৃত ১৬০০ জন যুবকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মোট ৪৪৮টি ব্যাচে দুই মাস মেয়াদী (৩০০ ঘণ্টা) এই এআই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। প্রযুক্তিভিত্তিক এই দক্ষতা যুবদের ফ্রিল্যান্সিং, আত্মকর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলমের সভাপতিত্বে দেশের ৬৪টি জেলা থেকে প্রশিক্ষণার্থী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন।







