শেরপুরে ফল বিপর্যয়, দুই প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেননি

জেলার মধ্যে শেরপুর সরকারি কলেজের ফলাফল তুলনামূলক ভালো হয়েছে। ছবি: আগামীর সময়
চলতি বছরে এইচএসসি পরীক্ষায় শেরপুর জেলায় দুটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। মাত্র ১ জন করে পাস করেছে ৩টি কলেজে।
জেলায় ৩১টি প্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন মোট ৮ হাজার ৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৩ হাজার ৬৫৪ জন। পাসের হার ৪৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০৭ জন।
জেলায় এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। তবে শেরপুর সরকারি কলেজের ফলাফল তুলনামূলক ভালো হয়েছে।
মন্নথ দে কলেজের ৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে সবাই ফেল করেছেন। ঝিনাইগাতীর আলহাজ্ব এসএম ওয়ারেস নাঈম মডেল কলেজের একমাত্র পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি।
এছাড়া আলহাজ্ব হাজেরা আক্তারুজ্জামান কলেজ, সীমান্ত কলেজ ও ইসলাম নগর সৈলামপুর উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ থেকে মাত্র একজন করে পরীক্ষার্থী পাস করেছে। মাত্র দুইজন করে শিক্ষার্থী পাস করেছেন শেরপুর বিজ্ঞান কলেজ ও ভারেরা এসপি উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ থেকে। আর তিনজন করে পাস করা কলেজ দুটি হচ্ছে হিরন্ময়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও ছানোয়ার হোসেন মডেল কলেজ।
শেরপুর জেলার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার জেলার সার্বিক বিবেচনায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল তুলনামূলক খারাপ হয়েছে। তবে শেরপুর সরকারি কলেজের ফলাফল তুলনামূলক ভালো হয়েছে। এ কলেজ থেকে এ বছর পরীক্ষার্থী ছিল মোট ১ হাজার ৫৮৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ৫৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৮ জন। পাসের শতকরা হার ৬৯ দশমিক ০২ শতাংশ।
শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজে ৮৪৪ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৫৪৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ জন। পাসের শতকরা হার ৬৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রেজুয়ান বললেন, ‘ফলাফল পর্যালোচনা করে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লেখাপড়া ছাড়া এখন আর ভালো ফল অর্জন করার সুযোগ নেই। সকল শিক্ষার্থীকেই পড়ার টেবিলে মনোযোগ দিতে হবে।’




