Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
পরিবেশবান্ধব চুলা ছড়িয়ে দেন কবুলজান
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

নবাবগঞ্জে বিলুপ্তির পথে শতবর্ষী মৃৎশিল্প

নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০২
নবাবগঞ্জে বিলুপ্তির পথে শতবর্ষী মৃৎশিল্প

হাঁড়ি-পাতিল তৈরির কাজ নিয়ে ব্যস্ত এক নারী

নবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প আজ বিলুপ্তির পথে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কোনোরকম টিকে থাকলেও অনেকেই বাপ-দাদার পৈতৃক পেশা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন অন্য পেশায়। ফলে শত বছরের পুরনো এই শিল্প হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।

প্রতিবছর বাংলা সনের পহেলা বৈশাখের আগে পালপাড়ায় ধুম পড়ে মাটির জিনিসপত্র তৈরির। নবাবগঞ্জের জালালচর ও বর্ধনপাড়া এলাকার কুমার সম্প্রদায় ব্যস্ত হয়ে ওঠে এ সময়। তবে আগের মতো আর সেই জৌলুস নেই। প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এই পেশা থেকে ক্রমেই সরে যাচ্ছেন কারিগররা। এক সময় ইছামতীর পাড় জুড়ে মাটির তৈজসপত্র তৈরির ব্যস্ততা ছিল। ছিল কোলাহল। এখন সেই দৃশ্য আর ধরা পড়ে না চোখে। বর্তমানে বর্ধনপাড়া, জালালচরসহ আশপাশের আরও কয়েকটি গ্রামে কোনোরকমে টিকে আছে এই শিল্প।

বৃহস্পতিবার সরেজমিন দেখা যায়, নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের হরিশকুল ও যন্ত্রাইল পালপাড়ায় মাটির ঢিবিতে আগুনে পুড়িয়ে চলছে হাঁড়ি-কলসি তৈরির কাজ। এক সময় সকাল হলেই ধোঁয়ায় ঢেকে যেত আকাশ। কুয়াশাচ্ছন্ন মনে হতো চারপাশ। এখন সেই দৃশ্য অনেকটাই ফিকে। তবুও কুমার পল্লির কারিগররা তৈরি করছেন মাটির তৈজসপত্র।

জালালচরের পরনা পাল জানান, প্রায় ২০০ বছর আগে তাদের পূর্বপুরুষরা শুরু করেন এই পেশা। প্লাস্টিক ও মেলামাইনের কারণে এখন এই পেশা সংকটে। চাহিদা কমেছে, কিন্তু বেড়েছে উৎপাদন খরচ। আগে যেখানে শতাধিক পরিবার এই কাজে যুক্ত ছিল, এখন টিকে আছে মাত্র পাঁচ থেকে সাতটি পরিবার।

সাবেক স্কুল শিক্ষক হরিদাশ পাল উল্লেখ করেন, মৃৎশিল্প এখন বিলুপ্তির পথে। জ্বালানি কাঠ ও শ্রমের খরচ বেড়ে যাওয়ায় লভ্যাংশ পাওয়া যায় না। ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু হওয়া এই পেশায় এক সময় হাজারো মানুষ কাজ করতেন। তখন এ অঞ্চলের মুসলমানরাও যুক্ত ছিলেন শ্রমিক হিসেবে। এখন গ্রামবাংলার মেলাকে কেন্দ্র করে কিছু মানুষ নতুন করে তৈরি করছেন হাঁড়ি-পাতিল।

বর্ধনপাড়ার মৃৎশিল্পী ননী পাল জানান, তিনি ৩৫ বছর ধরে আছেন এই পেশায়, কিন্তু কোনো সরকারি সহায়তা পাননি। অনেকেই জীবিকার তাগিদে চলে গেছেন অন্য পেশায়। কেউ বিদেশে গেছেন, কেউ চালান নৌকা। কেউ রিকশা চালান বা ব্যবসা করেন। তবে মেলার সময় কিছু জিনিস তৈরি করা হয়।

তুলসী পাল বলেছেন, আগে কম খরচে শ্রমিক পাওয়া যেত, এখন দুইবেলা খাবারসহ ৭০০ টাকা দিতে হয়। সেই তুলনায় পণ্যের দাম বাড়েনি। বৈশাখী মেলা কেন্দ্র করে কিছুটা চাহিদা থাকায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

হরিশকুল নদীর পাড়ে নৌকায় করে মাটির তৈরি হাতানি, পিঠার সাজ, মুড়ির ঝাঁজরি, কলসি ও হাঁড়ি নিয়ে শিববাড়ী মেলায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিতাই পাল। তিনি জানান, এক সময় সারা বছর নৌকায় করে বিভিন্ন এলাকায় এসব পণ্য বিক্রি করতেন। এখন শুধু টিকে আছে মেলাকেন্দ্রিক ব্যবসা।

বর্ধনপাড়ার বেদানা রানী পালের মতে, মাটির হাঁড়ি-পাতিল এখন কম কেনা হয়, মূলত শখের বশে মানুষ কেনে। তবে দইয়ের পাতিল বিক্রি হয় সারা বছর।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা ইসলামের ভাষ্য, বৈশাখী মেলা গ্রামবাংলার ঐতিহ্য বহন করে। এসব মেলায় বিশেষ আকর্ষণ সৃষ্টি করে মাটির জিনিসপত্র। তিনি উল্লেখ করেন, এই শিল্প টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ। পাশাপাশি প্লাস্টিক ও মেলামাইনের ব্যবহার কমিয়ে মাটির তৈজসপত্র ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করা গেলে নতুন সুযোগ তৈরি হবে কুমার সম্প্রদায়ের জন্য।

মৃৎশিল্পমেলাবিলুপ্তপ্রায়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    দেশ ছাড়ার খবর দিয়ে রুমি বললেন— ‘আপনারা ভালো থাকেন’

    দেশ ছাড়ার খবর দিয়ে রুমি বললেন— ‘আপনারা ভালো থাকেন’

    গুলশানের কিংফিশার বারে অভিযান, গোপন কক্ষের সন্ধান

    গুলশানের কিংফিশার বারে অভিযান, গোপন কক্ষের সন্ধান

    ধানমন্ডিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে পুলিশের বাধা, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা দীপক আটক

    ধানমন্ডিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে পুলিশের বাধা, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা দীপক আটক

    কাজ না করে ব্যয় দেখিয়ে কোটি টাকা গায়েব!

    কাজ না করে ব্যয় দেখিয়ে কোটি টাকা গায়েব!

    ’৯৮-এর অভিজাত, ’২৬-এ স্মৃতির ধুলো

    ’৯৮-এর অভিজাত, ’২৬-এ স্মৃতির ধুলো

    আ.লীগ আখ্যা দিয়ে সিপিবি অফিসে বিএনপির হামলা

    আ.লীগ আখ্যা দিয়ে সিপিবি অফিসে বিএনপির হামলা

    মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামান

    মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামান

    গঙ্গাচড়ায় পিটুনিতে নিহত দুই, ৫০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

    গঙ্গাচড়ায় পিটুনিতে নিহত দুই, ৫০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

    আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলেছেন কঠোরতা বোঝাতে, সাংবাদিকদের নিয়ে কথাটি অসাবধানতাবশত

    আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলেছেন কঠোরতা বোঝাতে, সাংবাদিকদের নিয়ে কথাটি অসাবধানতাবশত

    হ্যারি কেইনের হাতে ব্যালন ডি’অর ট্রফি

    হ্যারি কেইনের হাতে ব্যালন ডি’অর ট্রফি

    কিশোরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা!

    কিশোরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা!

    পুলিশপ্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের কথা

    পুলিশপ্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের কথা

    ছবি তোলার অভিযোগে ব্যক্তিকে মারধর, চুল কেটে দিলেন ইডেনের ছাত্রীরা

    ছবি তোলার অভিযোগে ব্যক্তিকে মারধর, চুল কেটে দিলেন ইডেনের ছাত্রীরা

    ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠক হয়েছে

    ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠক হয়েছে

    হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ঢুকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটালেন ছাত্রদল নেতা

    হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ঢুকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটালেন ছাত্রদল নেতা