ছোট উদ্যোগে বড় স্বস্তি

ক্ষুদ্র প্রকল্প হলেও এটিকে শত মানুষের স্বস্তির নিঃশ্বাস বলা যায়।
চেঙ্গী নদী পারাপারের জন্য পাঁচ ঘাটে বিতরণ করা হয়েছে পাঁচটি নৌকা। খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পেরাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের ছোট উদ্যোগকে বড় স্বস্তি হিসেবে দেখছে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ। চেঙ্গী জেলার প্রধান নদীগুলোর মধ্যে একটি। এই নদী জেলার তিনটি উপজেলা পানছড়ি, খাগড়াছড়ি সদর ও মহালছড়ি হয়ে কাপ্তাই হ্রদে মিলেছে। জেলা সদরের পাশ দিয়ে সাপের মতো আঁকাবাঁকা হয়ে নদীটি প্রবাহিত। নদীর দুই পাড়ে রয়েছে মানুষের বসতি। দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কয়েক হাজার মানুষকে এই নদী পারাপার হতে হয়।
পেরাছড়া ইউনিয়ন পরিষদ ‘বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা তহবিল’ (বিবিজি)-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের অধীনে পাঁচটি ঘাটের জন্য বিতরণ করে পাঁচটি নৌকা। এগুলো হলো— ভোলানাথ পাড়া, বেলতলী পাড়া, পল্টনজয় পাড়া, লারমা পাড়া ও চেলাছড়া পাড়াঘাট। নৌকা বিতরণ করায় সরাসরি সুবিধার আওতায় এসেছে ১৩টির বেশি গ্রামের মানুষ।
বেলতলী পাড়া ঘাটের মাঝি সদানন্দ ত্রিপুরা বলেছেন, ‘এ ঘাট দিয়ে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিনশ মানুষ পারাপার হয়। ঘাটটি চার গ্রামের মানুষ ব্যবহার করে থাকে।’
পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নেতৃত্ব কার্বারি (গ্রামপ্রধান) ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান রণিক ত্রিপুরা বলেছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নৌকা বিতরণ করায় নদী পারাপারে এলাকাবাসীর অনেক উপকার হয়েছে। ক্ষুদ্র প্রকল্প হলেও এটিকে শত মানুষের স্বস্তির নিঃশ্বাস বলা যায়।
পেরাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তপন বিকাশ ত্রিপুরা বলেছেন, জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে ইউনিয়নের পাঁচটি ঘাটে পাঁচটি নৌকা বিতরণ করা হয়েছে। এতে নিরাপদে নদী পারাপার হতে পারবে এলাকার মানুষ।




