Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
এক হাতেই মানবতার জয়
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

চকরিয়া

বন্যা শেষে সর্বত্র ছড়িয়ে নদীভাঙনের নির্মম চিহ্ন

কক্সবাজার প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ২০:৫৬
বন্যা শেষে সর্বত্র ছড়িয়ে নদীভাঙনের নির্মম চিহ্ন

ছবি: আগামীর সময়

বন্যার পানি নেমে গেলেও কক্সবাজারের চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীপাড়ের মানুষের দুর্ভোগ শেষ হয়নি। এখন তাদের সামনে সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে ভয়াবহ নদীভাঙন। কয়েক দিনের প্রবল স্রোতে বহু পরিবারের ঘরবাড়ি ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। গৃহহীন হয়ে পড়া মানুষের দাবি, ত্রাণে দু-চার দিনের ক্ষুধা মিটলেও টেকসই বাঁধ নির্মাণ না হলে আগামী বর্ষায় আবারও একই পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

আজ মঙ্গলবার বিকালে চকরিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কোচপাড়া, বাঁশঘাটা, কোচপাড়াসহ মাতামুহুরী নদীতীরবর্তী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বন্যার পানি কমে গেলেও সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে নদীভাঙনের নির্মম চিহ্ন। কোথাও ভাঙা ঘরের টিন, কোথাও কাঠ, কোথাও ধসে পড়া উঠান। অনেক পরিবার শেষ সম্বলটুকু উদ্ধার করতে ভাঙা ঘর থেকে টিন, কাঠ ও আসবাবপত্র খুলে নিচ্ছেন। তবে সেগুলো কোথায় নিয়ে যাবেন, সেই উত্তরও তাদের জানা নেই। কারণ অনেকের ক্ষেত্রেই ঘরের সঙ্গে নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে বসতভিটাও।

নদীর কিনারে দাঁড়িয়ে নিজের বিলীন হয়ে যাওয়া ভিটার দিকে তাকিয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে স্মৃতিচারণ করছিলেন তাসমিন জন্নাত। তিনি বলেছেন, ঢলের পানি চলে গেছে, কিন্তু আমাদের সবকিছু নিয়ে গেছে। আমার স্বামী বাজারে সবজি বিক্রি করে অল্প অল্প করে টাকা জমিয়ে এই ঘরটি করেছিলেন। চোখের সামনে সেই ঘর নদীতে তলিয়ে গেল। কিছুই করতে পারলাম না। এই কষ্ট কোনো দিন ভুলতে পারব না।


আরও পড়ুন

১৮ জুলাই পর্যন্ত এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় জুলাই পদযাত্রা স্থগিত

১৪ জুলাই ২০২৬

স্থানীয়দের ভাষ্য, শুধু তাসমিন জন্নাতই নন, পূর্ব কোচপাড়ার নুরুল আবছার, নুরুল হুদা, নুরুল ইসলাম, আমির উদ্দিন, ওসমান, আব্দুল আজিজ পুতু ও মানিকসহ শতাধিক পরিবার নদীভাঙনের শিকার হয়েছে। অনেকের ঘর এরই মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, আবার অনেক পরিবার এখনো ভাঙনের ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছে। আতঙ্কে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন নদীতীরের বাসিন্দারা। গৃহহীন পরিবারের কেউ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে, কেউ খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন।


নদীপাড়ের বাসিন্দা রাবেয়া বেগম বললেন, ত্রাণে দু-চার দিনের ক্ষুধা মিটবে, কিন্তু টেকসই বাঁধ না হলে আগামী বর্ষায় আবারও ঘর হারাব। আমরা সরকারি চাল-ডাল চাই না, চাই এমন একটি স্থায়ী বেড়িবাঁধ, যাতে প্রতি বর্ষায় পথে বসতে না হয়।

পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মুজিবুল হক বলেছেন, মাতামুহুরী নদীর তীব্র ভাঙনে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশঘাটা, কোচপাড়া, পূর্ব কোচপাড়া এবং মজিদিয়া দারুচ্ছুন্নাহ্ পৌর দাখিল মাদ্রাসাসহ বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে রয়েছে।

তার ভাষ্য, গত ১০ থেকে ১৫ বছরে সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একাধিকবার এলাকা পরিদর্শন করেছেন। প্রতিবারই নদীভাঙন রোধে প্রকল্পের আশ্বাস দেওয়া হলেও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষায় ৩৫ থেকে ৪০টি পরিবার ভাঙনের আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটায়।

এ বিষয়ে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম বললেন, মাতামুহুরী নদীর ভাঙন রোধে একটি প্রকল্প প্রস্তুতের কাজ চলছে। জিওব্যাগের পরিবর্তে কংক্রিটের ব্লক ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। পাশাপাশি কার্যকর সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ঢাল নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

চকরিয়ানদীভাঙনমাতামুহুরি
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৫ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    স্পেন
    ০
    ১৬ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    advertisement
    advertisement
    এক হাতেই মানবতার জয়

    এক হাতেই মানবতার জয়

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:১০

    এমসিকিউর পূর্ণ সময় পাননি কুমিল্লা বোর্ডের শতাধিক পরীক্ষার্থী

    এমসিকিউর পূর্ণ সময় পাননি কুমিল্লা বোর্ডের শতাধিক পরীক্ষার্থী

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০০:১৫

    প্রধানমন্ত্রীর বহরের গাড়িতে ইটের টুকরা, রাত পর্যন্ত সূত্র পেল না পুলিশ

    প্রধানমন্ত্রীর বহরের গাড়িতে ইটের টুকরা, রাত পর্যন্ত সূত্র পেল না পুলিশ

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:১৪

    সড়ক ধসে পাঁচ দিন ধরে বিচ্ছিন্ন বাঘাইছড়ি, চরম দুর্ভোগে মানুষ

    সড়ক ধসে পাঁচ দিন ধরে বিচ্ছিন্ন বাঘাইছড়ি, চরম দুর্ভোগে মানুষ

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৯

    বুকে সন্তান, চোখে ক্ষুধা—মা বানরের পাশে মানুষ

    বুকে সন্তান, চোখে ক্ষুধা—মা বানরের পাশে মানুষ

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৬

    দলের স্বার্থে ইচ্ছে করে কার্ড দেখেন লোপেজ!

    দলের স্বার্থে ইচ্ছে করে কার্ড দেখেন লোপেজ!

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৪

    ৯ দিন পর কক্সবাজার সৈকতে সূর্যাস্তের দেখা

    ৯ দিন পর কক্সবাজার সৈকতে সূর্যাস্তের দেখা

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৬

    মঙ্গলবার ঢাকার যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ

    মঙ্গলবার ঢাকার যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪১

    আমরা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন, কাউকে ভয় পাই না

    আমরা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন, কাউকে ভয় পাই না

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৫

    ৪ মাসে ২০০০ বদলি চক্রের পকেটে ৬০ কোটি

    ৪ মাসে ২০০০ বদলি চক্রের পকেটে ৬০ কোটি

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৫০

    চার সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববাজারে সর্বোচ্চ তেলের দাম

    চার সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববাজারে সর্বোচ্চ তেলের দাম

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪১

    দুপুরের মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে ঢাকায়

    দুপুরের মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে ঢাকায়

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৩

    আজকের নামাজের সময়সূচি (১৪ জুলাই)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (১৪ জুলাই)

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৫

    আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে সেই বিতর্কিত রেফারি

    আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে সেই বিতর্কিত রেফারি

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৯

    ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদে সাময়িকভাবে নামাজ বন্ধ

    ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদে সাময়িকভাবে নামাজ বন্ধ

    ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮

    advertiseadvertise