সুন্দরগঞ্জ
এক রাতে একই গ্রামে দুই গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

সংগৃহীত ছবি
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পৃথক ঘটনায় দুই গৃহবধূকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব শিবরাম গ্রামে এ দুটি ঘটনা ঘটে। পুলিশ দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহত আয়শা সিদ্দিকা পূর্ব শিবরাম গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে। চার বছর আগে পাশের গ্রামের প্রবাসী মোশারফ হোসেনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
আয়শার বাবা সিরাজুল ইসলামের অভিযোগ, বিয়ের পর আয়শা জানতে পারেন তার ভাসুরের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত। এ নিয়ে আয়শা আপত্তি জানালে পরিবারের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে রবিবার গভীর রাতে ভাড়াটে লোক দিয়ে ঘরের ভেতর আয়শাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি।
সিরাজুল ইসলামের আরও অভিযোগ, এ ঘটনায় মামলা করতে থানায় গেলে পুলিশ মামলা না নিয়ে বিষয়টি মীমাংসার পরামর্শ দিয়ে তাকে ফিরিয়ে দেয়।
অন্যদিকে, একই গ্রামের আরেক ঘটনায় পারিবারিক কলহের জেরে সাজেদা বেগম নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী আব্দুল আউয়াল খানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, স্ত্রীকে হত্যার পর আউয়াল তার মরদেহ ঝুলিয়ে রাখেন। পরে মরদেহে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় সাজেদার বাবা সাহিব উদ্দিন থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তার স্বামী আব্দুল আউয়াল খানকে গ্রেপ্তার করে।
ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ জানান, দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।




