বিশ্বনাথে গ্রেপ্তার-আতঙ্কে পুরুষশূন্য দুই গ্রাম

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজি ইউনিয়নের ভুরকি ও ইশবপুর গ্রামে সংঘর্ষের পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয়ে দুই গ্রামের অনেক বাড়িতে পুরুষরা অবস্থান করছেন না। সংঘর্ষের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়াসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
গত সোমবার বিকালে চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়ার ওপর হামলার ঘটনায় ইশবপুর গ্রামের দুই সহোদর আব্দুল মন্নান সরকার ও তাজ মিয়াকে আটক করে পুলিশ। তারা ওই গ্রামের মৃত আব্দুল মস্তানের ছেলে। পরে তাদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ভুরকি গ্রামের মদরিছ আলীর ছেলে কবির আলী সোমবার রাতে বিশ্বনাথ থানায় মামলাটি করেন। এতে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৪০-৫০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।
এদিকে আহত চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়ার খোঁজ নিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতা সিদ্দিকী।
বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেছেন, দুই গ্রামের সংঘর্ষের ঘটনায় একপক্ষ মামলা করেছে। প্রথমে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছিল। পরে মামলায় তাদের আসামি করায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় জোরদার করা হয়েছে পুলিশের টহল।



