Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
সুমির উদ্যোগে ১৯২ নারীর ভাগ্যবদল
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

চেতনানাশক খাইয়ে ফল ব্যবসায়ীকে হত্যা, এক মাস পর গ্রেপ্তার বন্ধু

বগুড়া প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২০
চেতনানাশক খাইয়ে ফল ব্যবসায়ীকে হত্যা, এক মাস পর গ্রেপ্তার বন্ধু

গ্রেপ্তার নাজিম উদ্দিন

বগুড়ায় ফল ব্যবসায়ীওয়াহেদ হোসেন নিজুমের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধারের এক মাস পর নাজিম উদ্দিন (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নাজিম নিহত নিজুমের বন্ধু। পুলিশের দাবি, ধার দেওয়া টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে চেতনানাশক খাইয়ে নিজুমকে হত্যা করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বগুড়ার কাহালু উপজেলার মাদনাই এলাকা থেকে নাজিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা এবং একটি বেসরকারি সংস্থায় রাঁধুনি হিসেবে কাজ করতেন।

নিহত ব্যক্তির নাম ওয়াহেদ হোসেন নিজুম (৩৭) বগুড়া শহরের সূত্রাপুর এলাকার ফল ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের ছেলে। বাবার সঙ্গে ফলের ব্যবসা করতেন। গত ১২ আগস্ট বগুড়া শহরের মালগ্রাম দিঘিরপাড় এলাকার একটি ধানখেতের পাশ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি ওয়াহেদের হোসেন নিজুম বলে শনাক্ত করেন।

পুলিশের তদন্ত সূত্র জানায়, ওয়াহেদ এনজিও সংস্থা আশা থেকে তার মা রঞ্জনা বেগমের নামে ৭ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৩ লাখ টাকা বাবাকে ব্যবসার কাজে দেন। ২ লাখ টাকা স্বপন (২৮) এবং ১ লাখ টাকা নাজিমকে ধার দেন। ধার দেওয়া টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।

পুলিশের ভাষ্য, এই বিরোধের জেরে নাজিম ও তার বন্ধু স্বপন ওয়াহেদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। গত ৭ আগস্ট তারা ওয়াহেদকে আশা কার্যালয়ের মালগ্রাম শাখায় ডেকে নেন। হত্যার আগে নাজিম ইন্টারনেটে অচেতন করার ওষুধের নাম খোঁজেন। পরে ওই ওষুধ ও বিষাক্ত পদার্থ কোমল পানীয়র সঙ্গে মিশিয়ে ওয়াহেদকে খাওয়ানো হয়। একপর্যায়ে তার মৃত্যু হলে মরদেহ বস্তায় ভরে মালগ্রাম মধ্যপাড়া দিঘিরপাড় এলাকার একটি ধানখেতের পাশে ফেলে রাখা হয়। এরপর ৮ আগস্ট নাজিম ও স্বপন চাকরি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান বলে পুলিশ জানায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, মুঠোফোনের কল রেকর্ড, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও স্থানীয় এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে নাজিম ও স্বপনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাজিম ইন্টারনেটে চেতনানাশক ওষুধের নাম খোঁজার কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানান তিনি।

ওয়াহেদের ভাই সোহেল হোসেন গতকাল বগুড়া সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে নাজিমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। বগুড়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছিল। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর অভিযুক্ত স্বপনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান যুদ্ধ শেষ হবে, আশা ট্রাম্পের

    মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান যুদ্ধ শেষ হবে, আশা ট্রাম্পের

    সৌদিতে হুতিদের হামলা বন্ধে ইরানকে সতর্ক করল পাকিস্তান

    সৌদিতে হুতিদের হামলা বন্ধে ইরানকে সতর্ক করল পাকিস্তান

    জন্মদিনে পপি ‘নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়েছি’

    জন্মদিনে পপি ‘নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়েছি’

    ইরানের হামলায় একাধিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত

    ইরানের হামলায় একাধিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত

    ইরানের নিশানায় জর্ডানের আল-আজরাক, ঘাঁটিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    ইরানের নিশানায় জর্ডানের আল-আজরাক, ঘাঁটিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    ‘একজন ফ্যাসিস্টের দোসর আরেকজন লালবদর, অথচ সবার পরিচয় ছিল শিল্পী’

    ‘একজন ফ্যাসিস্টের দোসর আরেকজন লালবদর, অথচ সবার পরিচয় ছিল শিল্পী’

    র‌্যাব বিলুপ্ত, সরকারি আদেশের অপেক্ষায় এসআরবি

    র‌্যাব বিলুপ্ত, সরকারি আদেশের অপেক্ষায় এসআরবি

    ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপ্রীতি, পলিটিক্স, গ্রুপিং, সিন্ডিকেট ও লবিং অনেক বেশি: স্বাগতা

    ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপ্রীতি, পলিটিক্স, গ্রুপিং, সিন্ডিকেট ও লবিং অনেক বেশি: স্বাগতা

    ২ কেজি ৭০০ গ্রামের ইলিশ, বিক্রি ১৬ হাজারে

    ২ কেজি ৭০০ গ্রামের ইলিশ, বিক্রি ১৬ হাজারে

    লং মার্চ সংকটের সমাধান দিলে তা বিএনপিই করত: তারেক রহমান

    লং মার্চ সংকটের সমাধান দিলে তা বিএনপিই করত: তারেক রহমান

    এসআই আলতাফ হত্যা মামলায় ৩ আসামির স্বীকারোক্তি

    এসআই আলতাফ হত্যা মামলায় ৩ আসামির স্বীকারোক্তি

    বাংলাদেশ-ভারত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল অনিশ্চিত

    বাংলাদেশ-ভারত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল অনিশ্চিত

    মায়ের শেষকৃত্যে অঝোরে কাঁদলেন চিন্ময়

    মায়ের শেষকৃত্যে অঝোরে কাঁদলেন চিন্ময়