Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনামূল্যে চিকিৎসার ছয় দশক
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

স্কুলের পথে নড়বড়ে সাঁকো

শাহীন মোল্লা, টঙ্গী (গাজীপুর)
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৪
স্কুলের পথে নড়বড়ে সাঁকো

ছবি: আগামীর সময়

দেখে মনে হবে, খালের মাঝখানে জেগে আছে একটা দ্বীপ। সেখানে রয়েছে ১১২ বছরের পুরোনো একটি বিদ্যালয়। যাতায়াতের একমাত্র পথ নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো। সাঁকোর বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে, কোথাও রয়েছে ফাঁক। বর্ষায় পানি ও স্রোত বাড়লে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়েই প্রতিদিন সাঁকো পেরিয়ে স্কুলে যেতে বাধ্য হয় শিক্ষার্থীরা।

জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য বলছে, ১৯১২ সালে গুটিয়া, আন্দারুল, গুশুলিয়া ও রাজনগর গ্রামের শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়টি ওই এলাকার শিশুদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বর্ষায় খালে পানি বাড়লে স্রোতও তীব্র হয়। তখন পিচ্ছিল ও জরাজীর্ণ সাঁকো পার হওয়া আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। সাত-আট বছরের শিশুদের পা পিছলে খালে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সাঁকোর কয়েকটি বাঁশ নষ্ট হয়ে গেছে, মাঝখানে রয়েছে ফাঁক। অবশ্য শিক্ষার্থীরা পার হওয়ার সময় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তাদের হাত ধরে সাহায্য করছেন।

যাতায়াতের ঝুঁকির পাশাপাশি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। বিদ্যালয়ে কোনো সীমানাপ্রাচীর নেই, খেলার মাঠটিও অসমতল। খেলতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ফুটবল প্রায়ই খালে পড়ে যায়। ফলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণেও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও প্রতিদিনের এই ঝুঁকির কথা জানায়। তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কাজী ফারুক হাসান তুহিন বলল, ‘বাঁশের তৈরি ভাঙা সাঁকো দিয়ে স্কুলে আসতে ভয় লাগে। আমরা এখানে একটি সেতু চাই।’

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী শুভশ্রী মল্লিক জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হওয়ার সময় একবার পড়ে গিয়ে সে গুরুতর আঘাত পেয়েছিল। তারও দাবি, বাঁশের সাঁকোর বদলে একটি নিরাপদ ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খায়রুন নেছার ভাষ্য, নির্বাচন এলে অনেক সময় সাঁকোটি সাময়িকভাবে সংস্কার করা হয়। কিছুদিন পর আবার সেটি নষ্ট হয়ে যায়। সরকারি বরাদ্দ না থাকায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় অনেক সময় সাঁকোটি মেরামত করতে হয়। ২০১৫ সালে যোগদানের পর থেকে তিনি কয়েকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন; কিন্তু এখনো কোনো সমাধান হয়নি। ‘শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটি স্থায়ী ও টেকসই সেতু ছাড়া এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়’— বললেন তিনি। দ্রুত সেতু নির্মাণে গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের উদ্যোগও কামনা করেছেন এই শিক্ষক।

আরও পড়ুন

থানায় ৮ চোরের সঙ্গে দেখা করতে এসে গ্রেপ্তার আরও ২ চোর

০৩ অক্টোবর ২০২৬

অভিভাবকরা বলছেন, সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অনেক অভিভাবক সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে ভয় পান। তাদের আশঙ্কা, এ পরিস্থিতি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতিতেও প্রভাব ফেলছে। খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মিত হলে শিশুদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের পরিবেশও উন্নত হবে।

ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। তিনি বললেন, ‘এলাকাটি সিটি করপোরেশনের আওতাধীন হওয়ায় সেতু নির্মাণের প্রাথমিক দায়িত্ব তাদের। তবে সিটি করপোরেশন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।’

বাঁশের সাঁকো
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    প্রিয় ৫ বই

    প্রিয় ৫ বই

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে