তাড়াশ
গ্রাম্য বিরোধে অবরুদ্ধ দুই পরিবার

ছবি: আগামীর সময়
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গ্রাম্য বিরোধের জেড়ে বাড়ি থেকে চলাচলের একমাত্র রাস্তায় বেড়া দিয়ে দুটি পরিবারের নারী, শিশুসহ ১১ সদস্যদের অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে শাহিন সরকার নামে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে।
আজ বুধবার উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে চলাচলের একমাত্র রাস্তায় বেড়া দেওয়ায় সকাল থেকে ভুক্তভোগী দুটি পরিবারের সদস্যরা এক প্রকার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বাড়ির বাহিরে বের হতে পারেননি। স্কুলে যেতে পারেনি পরিবারের শিক্ষার্থীরা। এমনকী প্রয়োজনীয় সংসারিক জিনিসপত্র কিনতেও বের হতে পারছেন না কেউ।
ভুক্তভোগী পরিবার প্রধান জমশেদ আলী মোল্লা জানিয়েছেন, প্রতিকার পেতে সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দিতে পারছি না। অবরুদ্ধকারী প্রভাবশালী হওয়ায় পরিবারের সকল সদস্য নিয়ে চিন্তিত।
জানা গেছে, উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে ঈদগাহ মাঠে প্রাচীর নির্মাণ কার্যক্রম চলছে। যা নিয়ে গ্রামবাসী দু ভাগে বিভক্ত। এক পক্ষের সমর্থক অবরুদ্ধ হওয়া জমশেদ আলী ও অবরুদ্ধ করে রাখা প্রভাবশালী শাহিন সরকার গ্রামের নিকটতম প্রতিবেশী। আর ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর নির্মাণে প্রভাবশালী প্রতিবেশী শাহিন সরকারের মতের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন আরেক প্রতিবেশী জমশেদ আলী মোল্লার পরিবার। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় প্রভাবশালী শাহিন সরকারের বিরুদ্ধে জমশেদ আলীর পরিবার অবস্থান নেওয়ার কারণে সকালে শাহিন সরকার দলবল নিয়ে সকাল ৮টার দিকে জমশেদ আলীর পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেন।
দুটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করা প্রসঙ্গে প্রভাবশালী শাহিন সরকার জানান, আমার জায়গা আমি বেড়া দিয়েছি। কারণ জমশেদ আলীর চলাচলের পথে আমার জমির ফসল-আদি নষ্ট হয়। যেজন্য এক পাশে বেড়া দিলেও অন্য পাশে চলাচলের আরেকটি রাস্তা রয়েছে। তারা সেখান দিয়ে চলাচল করুক।
কিন্তু ভুক্তভোগী জমশেদ আলী মোল্লা জানান, মূলত বেড়া দেওয়া রাস্তাটি কিছু অংশ আমারও আছে। সে রাস্তা দিয়েই বহু বছর হলে চলাচল করছি। কিন্তু আজকে শাহিন সরকার প্রভাবশালী হওয়ার কারণে জোড় করে বেড়া দিয়ে আমাদের দুটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখে চলাচল বন্ধ করে রেখেছেন। যা অন্যায়।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






