কক্সবাজার
আলিশান ফ্ল্যাটে ৩ লাখ ইয়াবা, গ্রেপ্তার ৩

ছবি: আগামীর সময়
কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনের একটি আবাসিক ভবনের নবম তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তিন লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ রবিবার ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, টেকনাফ সীমান্ত এলাকা থেকে সংগ্রহ করা এসব ইয়াবা ঢাকায় পাঠানোর জন্য ফ্ল্যাটটিতে মজুত করা হয়েছিল। এ ঘটনায় আরও একজনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, রাত পৌনে তিনটা থেকে ভোর চারটা পর্যন্ত কক্সবাজার পৌরসভার বাহারছড়া নিউ সার্কিট হাউস রোডের কোরাল রিপ পূর্বিতা সুলতান ভিলায় এ অভিযান চালানো হয়। ভবনটি পুলিশ সুপারের কার্যালয় সংলগ্ন। উদ্ধার করা মাদক রাখা হয়েছিল ভবনটির নবম তলার ৮/এ নম্বর ফ্ল্যাটে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আরমান রয়াতী প্রকাশ আরমান বয়াতী (২৭), শামীম (৩০) ও রাকিব (২৫)। তাদের বাড়ি যথাক্রমে শরীয়তপুর, পিরোজপুর ও ভোলা জেলায়। এ ঘটনায় পলাতক আসামি করা হয়েছে ঢাকার কেরানীগঞ্জের রাহাদ হোসেনকে (২৬)।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, টেকনাফ সীমান্ত এলাকা থেকে এসব ট্যাবলেট সংগ্রহ করে ঢাকায় অবস্থানরত রাহাদ হোসেনের কাছে পাঠানোর জন্য রাখা হয়েছিল। গ্রেপ্তার তিনজন ও পলাতক রাহাদ পরস্পর যোগসাজশে ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা কেনাবেচার কাজে ব্যবহার করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ফ্ল্যাটের ভাড়ার চুক্তিনামা রাহাদের নামে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
ওসির ভাষ্য, তল্লাশির একপর্যায়ে শয়নকক্ষের দেয়ালে থাকা কেবিনেটের বাক্স থেকে দুটি কালো রঙের ট্রাভেল ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগ দুটিতে খাকি রঙের টেপ দিয়ে মোড়ানো ৩০টি প্যাকেটে তিন লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তিনটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন ও পলাতক রাহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। পরে তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়েছে।



