পর্যটনমন্ত্রী
বাংলাদেশের সম্প্রীতি ও সংস্কৃতির বিশ্বমঞ্চ ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম, ছবি: আগামীর সময়
বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও পর্যটন সম্ভাবনাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
তিনি বললেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন খাতের উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নেরই একটি অংশ।
আজ শুক্রবার বিকালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের তিন দিনব্যাপী ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।
অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ফুলছড়া চা বাগান মাঠে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।
মন্ত্রী বলেছেন, এ উৎসব দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশের সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরার অনন্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।
তিনি জানিয়েছেন, পর্যটন ও সেবা খাতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ‘ন্যাশনাল ট্যুরিজম হিউম্যান ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট স্ট্র্যাটেজি’ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি দেশের পর্যটন আকর্ষণ ও সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশে প্রচারের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত শমসেরনগর বিমানবন্দর চালু, পর্যটন এলাকায় শিল্পকলা একাডেমি স্থাপনসহ বিভিন্ন দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হবে। এসব দাবি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আব্দুর রউফ।
অনুষ্ঠানে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাইনুল হাসান, সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি ড. মো. জিল্লুর রহমান, জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল, পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ২১ জুন পর্যন্ত চলা এ উৎসবে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনাচার, ঐতিহ্যবাহী পণ্য, লোকজ সংস্কৃতি, শৈল্পিক কারুকাজ এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা প্রদর্শিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।




