Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

আকস্মিক বন্যায় বোরো সংগ্রহে স্থবিরতা

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ১৬:১৫
আকস্মিক বন্যায় বোরো সংগ্রহে স্থবিরতা

পানিতে ডোবা ধান কাটছেন এক কৃষক। ছবি: আগামীর সময়

আকস্মিক বন্যায় বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতির কারণে প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে হবিগঞ্জ জেলায় সরকারি বোরো সংগ্রহ কার্যক্রম। জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে মাত্র একটিতে ধান সংগ্রহ হয়েছে ২ টন। এখনও কার্যক্রম শুরু হয়নি বাকি আটটিতে।

জেলায় এ বছর বোরো সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে মোট ৬৯ হাজার ৩১০ মেট্রিক টন। এর মধ্যে কেজি প্রতি ৪৯ টাকা দরে ১ হাজার ৪২ টন সেদ্ধ চাল, ৪৮ টাকা দরে ৬০ হাজার ১৭৮ টন আতপ চাল এবং ৩৬ টাকা দরে ৮ হাজার ৯০ টন ধান সংগ্রহের কথা রয়েছে। তবে লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে মিলছে না বাস্তব চিত্র।

ভারপ্রাপ্ত জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক জ্যোতি বিকাশ ত্রিপুরা দাবি করেছেন, সব উপজেলায় একযোগে সংগ্রহ শুরু করার পরিকল্পনা থাকলেও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

তার ভাষ্য, এখন পর্যন্ত একটি উপজেলায় সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ২ টন ধান। কারণ ধান প্রস্তুত করতে পারেননি অনেক কৃষক। আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে জেলার ৪৪টি বড় হাওরে এ বছর ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল প্রায় ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন। আশা করা হয়েছিল, সেখান থেকে প্রায় ৫ লাখ ২৯ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন চাল পাওয়ার। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় ২ হাজার ৩৮৩ কোটি ২০ লাখ টাকা।

কিন্তু মৌসুমের শেষ দিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সেই সম্ভাবনা বড় ধাক্কা খায়। এপ্রিলের মাঝামাঝি ধান পাকতে শুরু করলে শিলাবৃষ্টিতে প্রথম ক্ষতি হয়। এরপর গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে একের পর এক হাওর প্লাবিত হয়। খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে এক রাতের মধ্যে বানিয়াচং উপজেলার চারটি ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক ছোট হাওর তলিয়ে যায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলার অন্তত ২৫টি হাওরের ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ধান নষ্ট হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৮৮০ মেট্রিক টন। যা থেকে পাওয়া যেত প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৯২০ মেট্রিক টন চাল। আর্থিক হিসাবে এই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪৭৬ কোটি টাকা।

কৃষিবৃষ্টিকৃষকবোরো ধান সংগ্রহহবিগঞ্জ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: