বরিশাল আদালত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা

ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট। ছবি: আগামীর সময়
বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মামলার বাদী কোতোয়ালী থানার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মাদ কামরুল হায়দার রুবাইয়াত।
বুধবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় করা মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশ ও সহায়তায় অন্তর্ঘাতী কার্যক্রমের মাধ্যমে জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতিসাধন এবং অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আদালত প্রাঙ্গণে বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ আনা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কী কারণে এবং কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সেই রহস্য এখনো উদঘাটন হয়নি। তদন্ত চলছে। দুই-এক দিন পর হয়তো কিছু বলতে পারব।’
মামলার এজাহার সূত্র জানায়, বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটক থেকে প্রায় ১০ গজ দূরে বুধবার সকাল ১০টা ২৬ মিনিটে বোমাটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে থাকা লোকজন আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন।
খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সিআইডি বরিশালের একটি ক্রাইম সিন দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে তারা বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করে। ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরিত কাদামাটি, কাদামাটিসহ বারুদ, বিস্ফোরিত বোমার কাচের পাঁচটি টুকরা, জর্দার কৌটার মুখ ও বিস্ফোরিত বোমার প্যাকেজিং কাগজ উদ্ধার করা হয়।
এজাহারে বলা হয়েছে, একটি ১০ তলা ভবনের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে এবং জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি করার লক্ষ্যে পরস্পর যোগসাজশ ও সহায়তায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে আদালত প্রাঙ্গণে বোমাটি রাখা হয়েছিল। বিস্ফোরণের মাধ্যমে আদালত প্রাঙ্গণে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগও মামলায় আনা হয়েছে।
বিস্ফোরণের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে আদালত প্রাঙ্গণে বোমাটি রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।







