বরিশাল আদালত প্রাঙ্গণে হঠাৎ বিস্ফোরণ, তদন্তে পুলিশ

ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট। ছবি: আগামীর সময়
বরিশাল আদালত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার সকালে বিকট শব্দে বিস্ফোরণটি ঘটে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রধান ফটকের সামনে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে আদালত এলাকায়। তবে এ ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে ধোঁয়া দেখা যায়। একই সঙ্গে বিস্ফোরণের স্থান থেকে কাদামাটি ছিটকে আশপাশে থাকা লোকজনের শরীরে লাগে। এতে মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় আদালত প্রাঙ্গণে।
দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা জানান, তারাও বিকট শব্দ শুনতে পান। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্ফোরণের আলামত দেখতে পান। পরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটও সেখানে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে।
বরিশাল মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দীন আহমেদ পান্না জানিয়েছেন, অগণতান্ত্রিক শক্তি এ নাশকতার পেছনে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বরিশাল জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচএম তসলিম উদ্দিনের অভিযোগ, ফ্যাসিস্টের দোসররা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার না করার কারণেই দেশ অশান্ত হয়ে পড়েছে বলে দাবি তার।
তিনি জানান, দেশকে অশান্ত করার পাঁয়তারা যারা করছে, তাদের রুখে দিতে জনগণ ও জাতীয়তাবাদী শক্তি মাঠে আছে।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট একেএম মীর জাহিদুল কবিরও দাবি করেন, নাশকতার উদ্দেশ্যেই ফ্যাসিস্টদের দোসররা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।
আগামী ১৬ আগস্ট বরিশালে আইনমন্ত্রীর আসার কথা আছে জানিয়ে তিনি বললেন, শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার জন্য একটি মহল পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। বিস্ফোরিত বস্তুটি কী ধরনের এবং কে বা কারা সেটি সেখানে রেখেছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে পুরো বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।





