Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

পেঁয়াজের বাম্পার ফলন, দামে বিপাকে কৃষক

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৪
পেঁয়াজের বাম্পার ফলন, দামে বিপাকে কৃষক

ছবিঃ আগামীর সময়

বিঘায় বিঘায় উপচেপড়া ফলন দেখেও চোখে-মুখে হাসির বদলে চরম ক্ষোভ আর হতাশায় দিন কাটছে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর পেঁয়াজ চাষিদের। বিঘাপ্রতি ৭০-৮০ মণ ফলন হলেও বাজারে গিয়ে ন্যায্য দাম না পেয়ে পেঁয়াজ ফিরিয়ে আনছেন কৃষক।


সাড়ে ১১ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করেছেন কৃষক জহির হোসেন (৫৭)। তার বাড়ি কুমারখালীর যদুবয়রা ইউনিয়নের বরইচারা গ্রামে।


তিনি বলেছেন, ‘১০-১২ জন শ্রমিকের টাকা দেওয়ার জন্য চৌরঙ্গী হাটে নিয়েছিলাম ৯ মণ পেঁয়াজ। ৭০০ টাকা মণ দাম শুনে ফেরত এনেছি রাগে-দুঃখে। এভাবে চললে কৃষক বাঁচবে কীভাবে?’ একই চিত্র উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে।


কৃষকদের ভাষ্য, এক মণ পেঁয়াজ উৎপাদনে বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে খরচ পড়েছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। আর বর্তমান বাজারে প্রতি মণ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা। অর্থাৎ উৎপাদন খরচই উঠছে না।


লেখাপড়া শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে ৪৫ বিঘা জমিতে হাইব্রিড পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন তরুণ উদ্যোক্তা মনিরুল ইসলাম। বিঘায় ১০০-১২০ মণ ফলন হলেও বাজারের বর্তমান অবস্থায় তিনি দিশেহারা।


তিনি জানান, গত বছরও কৃষকরা প্রতি মণ পেঁয়াজ বিক্রি করেছিলেন ১ হাজার ৭০০ থেকে ৫ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু এবার বাজারে আমদানির দোহাই দিয়ে কৃষকের পকেট কাটছে সিন্ডিকেট চক্র।


যদুবয়রা, পান্টি ও চাপড়া ইউনিয়নের মাঠগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে পেঁয়াজ তোলার কাজ। নারী শ্রমিকরা পেঁয়াজের গাছ কাটছেন ৪০ টাকা মণ চুক্তিতে। কিন্তু এ উৎসব কেবল কৃষি শ্রমিকদের জন্য, পেঁয়াজের দাম কম হওয়ায় কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ।


প্রবীণ কৃষক বদর উদ্দিন স্পষ্ট করেন, একজন শ্রমিকের দামই ৭০০ টাকা। এরপর ভ্যান ভাড়া আছে। পেঁয়াজ বেচে লেবারের টাকাই হয় না, আমাদের খাওয়া জুটবে কী দিয়ে?


চৌরঙ্গী হাট পরিচালনা কমিটির সভাপতি মতিউর রহমান জানান, গতবারের তুলনায় দাম অর্ধেক হওয়ায় কৃষকরা বাধ্য হয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন লোকসানে।


পেঁয়াজের উৎপাদন বেশি হওয়ায় বাজারে দাম কিছুটা কম বলে স্বীকার করেছেন কুমারখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাইসুল ইসলাম।


এদিকে পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতার।


উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে ১২৮ হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে হেক্টরপ্রতি ২১-২২ টন হিসাবে মোট ১ লাখ ৩ হাজার টন। যেখানে স্থানীয় চাহিদা ১০ হাজার টন।



কুষ্টিয়াপেঁয়াজ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise