দেড় বছর ধরে বন্ধ রায়পুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবা

রায়পুরা ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
দেড় বছর ধরে বিকল থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা। বাধ্য হয়ে সরকারি হাসপাতালের পরিবর্তে বেসরকারি ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে গিয়ে অতিরিক্ত খরচে এক্স-রে করাতে হচ্ছে তাদের।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এক্স-রে মেশিনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
২৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত রায়পুরা উপজেলার প্রায় আট লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার প্রধান ভরসা ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন দুর্গম চরাঞ্চলে হওয়ায় এই হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা আরও বেশি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এক্স-রে সেবা বন্ধ থাকায় সাধারণ রোগীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন শত শত রোগী জরুরি চিকিৎসা ও বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে আসেন। কিন্তু এক্স-রে মেশিন বিকল থাকায় হাড় ভাঙা বা শরীরের অন্যান্য অভ্যন্তরীণ জটিলতা নির্ণয়ে চিকিৎসকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ফলে অনেক রোগীকেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ছাড়াই ফিরে যেতে হচ্ছে।
বাধ্য হয়ে রোগীরা উপজেলা সদর ও নরসিংদী শহরের বিভিন্ন বেসরকারি ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে গিয়ে কয়েক গুণ বেশি খরচে এক্স-রে করাচ্ছেন। এতে একদিকে তাদের আর্থিক চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে সময়মতো চিকিৎসা পাওয়াও ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জান্নাতুল নাঈম জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নতুন এক্স-রে মেশিন সরবরাহের প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি এক্স-রে মেশিন হাসপাতালটিতে সরবরাহ করা হবে। তখন রোগীরা আবার হাসপাতাল থেকেই এ সেবা পাবেন।





