সুন্দরবনের দস্যুদের হাতে কয়রার ৫ জেলে জিম্মি, মুক্তিপণ দাবি

সংগৃহীত ছবি
সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের খুলনা রেঞ্জের আওতাধীন ফুলতলা খাল এলাকা থেকে মুক্তিপণের দাবিতে পাঁচ জেলেকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে বনদস্যুদের বিরুদ্ধে।
অপহরণের পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে বনদস্যুদের দুদলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় দুই জেলে নদী পার হয়ে লোকালয়ে ফিরে এসেছেন। তবে এখনো তিন জেলে বনদস্যুদের কাছে জিম্মি রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে সুন্দরবনের ফুলতলা খাল এলাকা থেকে পাঁচ জেলেকে তুলে নিয়ে যায় বনদস্যুরা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে বনদস্যুদের দুই দলের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হলে জেলে মোস্তফা মোড়ল ও ওসমান মোড়ল নদী পার হয়ে লোকালয়ে চলে আসেন।
অপহৃত ও ফিরে আসা জেলেরা হলেন— ভাগবা গ্রামের মৃত সিদ্দিক মোড়লের ছেলে ওসমান মোড়ল (৪৫), বারিক মল্লিকের ছেলে মাসুম মল্লিক (২৬), মৃত হাকিম গাজীর ছেলে কামরুল গাজী, মৃত সুয়েদ গাজীর ছেলে ইব্রাহিম গাজী এবং বাবর আলী মোড়লের ছেলে মোস্তফা মোড়ল।
জানা গেছে, কয়রার ভাগবা গ্রামের সাতটি নৌকা মাছ ধরার উদ্দেশে সুন্দরবনে গিয়েছিল। এর মধ্যে পাঁচটি নৌকা থেকে পাঁচ জেলেকে মুক্তিপণের দাবিতে তুলে নিয়ে যায় বনদস্যুরা। নৌকা প্রতি ৭০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে তারা। পরে গোলাগুলির সময় দুই জেলে ফিরে এলেও বাকি তিনজন এখনো জিম্মি রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, তাদের এলাকার জেলেরা মাছ ধরতে সুন্দরবনে গিয়েছিলেন। বনদস্যুরা পাঁচ জেলেকে তুলে নিয়ে যায়। সকালে বনদস্যুদের দুদলের মধ্যে গোলাগুলির সময় মোস্তফা মোড়ল ও ওসমান মোড়ল নদী পার হয়ে বাড়িতে ফিরে এসেছেন।
সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের আওতাধীন বানিয়াখালী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) কে এম রাশেদ সাদাত বলেন, আমি ক্যাম্পে নেই, টহলে রয়েছি। এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে অপহৃত হলে উদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




